BDvairlnews
,                              সদ্য সংবাদ:

tasnif media

tasnif media

Monday, 12 June 2017

কাতারের নাগরিকদের উমরাহপালনে সৌদি আরব নিষেধাজ্ঞা

আওয়ার ইসলাম: কাতারের নাগরিকদের উমরাহপালনে সৌদি আরব নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে এমন খবর অস্বীকার করেছে সৌদি আরব।

সৌদি কর্তৃপক্ষ বলছে এটি ‘মিথ্যাচার ও বিশ্বাসযোগ্য নয়’। সৌদির পবিত্র নগরী মক্কার মসজিদ আল হারামে মুসলমানেরা তাদের উমরাহ পালন করে থাকে সেখানে কাউকে বাধা প্রদান করার সুযাগ নেই।

মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নবাবীর কর্তৃপক্ষ সোমবার এক বিবৃতিতে বলেন, কাতারের নাগরিকদের ওমরাহ পালনের সুযোগ কেড়ে নিয়ে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে বলে যে খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েছে তারা কোন সত্যতা নেই।

মসজিদুল হারামে কাতারের মুসুল্লিদের বাধা প্রদানের অভিযোগ

উমরাহ পালনের জন্য যারাই এখনে আসতে চায় তাদের সেবার জন্য আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সেই সঙ্গে আমাদের কাতারি ভাইয়েরাও যখন সৌদি আরবে প্রবেশ করে সেই মুহূর্ত থেকে দেশ ত্যাগ না করা পর্যন্ত তারা আমাদের হৃদয়েই থাকে।

গত সপ্তাহেও ১ হাজার ৬ শ ৩৩ জন কাতারি নাগরিক উমরাহ পালন করেছে।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে বাহরাইন, ‘জাতীয় নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার’ স্বার্থে সৌদি আরব ও আরব আমিরাত পাশ্ববর্তীদেশ কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পন্ন ছিন্ন করে।

সেই সঙ্গে উপসাগরীয় অঞ্চলের এই দেশগুলো কাতারি নাগরিকদের তাদের দেশ ত্যাগের জন্য ১৪ দিনের সময় বেঁধে দেয় ও পুনরায় আসার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

অবশ্য ৫ জুনেই সেই ঘোষণায় যে সব কাতারি নাগরিক উমরাহ ও হজ্জ্ব পালনের জন্য সৌদি আবার আসবে তাদের জন্য কোন নিষেধাজ্ঞা থাকবেনা বলেও জানায়। গাল্ফ নিউজ।

খবরের বাকি অংশ

কাতারের নাগরিকদের উমরাহপালনে সৌদি আরব নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে এমন খবর অস্বীকার করেছে সৌদি আরব।

BDvairlnews : কাতারের নাগরিকদের উমরাহপালনে সৌদি আরব নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে এমন খবর অস্বীকার করেছে সৌদি আরব।


সৌদি কর্তৃপক্ষ বলছে এটি ‘মিথ্যাচার ও বিশ্বাসযোগ্য নয়’। সৌদির পবিত্র নগরী মক্কার মসজিদ আল হারামে মুসলমানেরা তাদের উমরাহ পালন করে থাকে সেখানে কাউকে বাধা প্রদান করার সুযাগ নেই।

মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নবাবীর কর্তৃপক্ষ সোমবার এক বিবৃতিতে বলেন, কাতারের নাগরিকদের ওমরাহ পালনের সুযোগ কেড়ে নিয়ে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে বলে যে খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েছে তারা কোন সত্যতা নেই।

মসজিদুল হারামে কাতারের মুসুল্লিদের বাধা প্রদানের অভিযোগ

উমরাহ পালনের জন্য যারাই এখনে আসতে চায় তাদের সেবার জন্য আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সেই সঙ্গে আমাদের কাতারি ভাইয়েরাও যখন সৌদি আরবে প্রবেশ করে সেই মুহূর্ত থেকে দেশ ত্যাগ না করা পর্যন্ত তারা আমাদের হৃদয়েই থাকে।



গত সপ্তাহেও ১ হাজার ৬ শ ৩৩ জন কাতারি নাগরিক উমরাহ পালন করেছে।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে বাহরাইন, ‘জাতীয় নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার’ স্বার্থে সৌদি আরব ও আরব আমিরাত পাশ্ববর্তীদেশ কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পন্ন ছিন্ন করে।

সেই সঙ্গে উপসাগরীয় অঞ্চলের এই দেশগুলো কাতারি নাগরিকদের তাদের দেশ ত্যাগের জন্য ১৪ দিনের সময় বেঁধে দেয় ও পুনরায় আসার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

অবশ্য ৫ জুনেই সেই ঘোষণায় যে সব কাতারি নাগরিক উমরাহ ও হজ্জ্ব পালনের জন্য সৌদি আবার আসবে তাদের জন্য কোন নিষেধাজ্ঞা থাকবেনা বলেও জানায়। গাল্ফ নিউজ।

খবরের বাকি অংশ

Sunday, 11 June 2017

স্বীকৃতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে ফের দেখা করলেন ক্বওমী আলেমগন

সিলেট রিপোর্ট:
কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার উন্নয়নে সবকিছু করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং এই লক্ষ্য অর্জন করতে হলে সমাজের কোনো অংশকে পেছনে ফেলে রাখার সুযোগ নেই।’
রবিবার দুপুরে (১১ জুন) প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় সংসদ ভবন কার্যালয়ে কওমি মাদ্রাসার কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় আলেম তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আশ্বাস দেন। আলেম প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন আল্লামা আশরাফ আলী।বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।গত ১১ এপ্রিল গণভবনে আলেমদের এক সমাবেশে কওমি মাদ্রাসার সর্বোচ্চ স্তর দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্সের সমমান ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর এই স্বীকৃতির ব্যাপারে সরকারি প্রজ্ঞাপনও জারি হয়। তবে এখনো জাতীয় সংসদে এ সংক্রান্ত আইন পাস হয়নি। চলতি বাজেট অধিবেশনে কওমি স্বীকৃতির আইন পাসের দাবি নিয়ে আলেমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে যান।
শেখ হাসিনা বলেন, বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী কওমি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে এবং তাদেরকে শিক্ষার মূলধারায় নিয়ে আসতে হবে।
কওমি মাদ্রাসার চূড়ান্ত ডিগ্রিকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রির সমমানের স্বীকৃতি দেয়ার জন্য আলেমরা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। তারা বলেন, ‘এটি একটি যুগান্তকারী ও ঐতিহাসিক ঘটনা। ইতিহাসের পাতায় একথা সোনালী হরফে লেখা থাকবে।’
আলেমরা দেশে ইসলামের বিকাশে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করেন।
এ প্রসঙ্গে তারা রাজধানীর কাকরাইলে তাবলিগ জামায়াতের ‘মারকাজ’ প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর জমি দেয়ার কথা উল্লেখ করেন। বঙ্গবন্ধু বিশ্ব ইজতেমার জন্য তুরাগ নদের তীরে জমি বরাদ্দ দিয়েছেন বলেও তারা উল্লেখ করেন।
আলেমরা বিশ্ব ইজতেমার জন্য ১৬০ একর জমি প্রদানসহ ইসলামের বিকাশে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য শেখ হাসিনারও প্রশংসা করেন।
প্রধানমন্ত্রী সরকারের সন্ত্রাসবিরোধী প্রচারে অংশ নিতে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে আলেম-ওলামাদের প্রতি আহ্বান জানান।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁ কামাল, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম ও মুখ্য সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
আলেমদের প্রতিনিধি দলে ছিলেন আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ, আল্লামা আবদুল কুদ্দুস, মাওলানা মাহফুজুল হক, মুফতি ফয়জুল্লাহ, মাওলানা আবদুল বাছেস বরকতপুরী, মুফতি নূরুল আমিন, মাওলানা আনাস মাদানী, মাওলানা নূরুল ইসলামও মাওলানা উসামা আমিন।
বৈঠকে আল্লামা শাহ আহমদ শফীর পক্ষ থেকে একটি চিঠি প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। যাতে কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার ঐতিহ্য অবদান ও স্বকীয়তার কথা বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়।

খবরের বাকি অংশ

সিলেট জেলা জমিয়তের ইফতার বুধবার

সিলেট রিপোর্ট: জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ সিলেট জেলা শাখার উদ্দোগে ”আর্দশ সমাজ বির্নিমানে মাহে রমজানের ভূমিকা র্শীষক আলোচনা সভা ও  ইফতার মাহফিল ১৯ রমজান (১৪ জুন) বুধবার নগরীর ধোপাদিঘীর পারস্থ ইউনাইটেড কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে। সংগঠনের জেলা সভাপতি মাওলানা শায়খ জিয়াউদ্দীন ও সেক্রেটারী মাওলানা আতাউর রহমান সংশ্লিষ্টদের যথাসমযে উপস্থিত থাকার আহবান জানিয়েছেন।

খবরের বাকি অংশ

সদর উপজেলার মদনপুরে মেডিকেল কলেজ ও কুতুবপুরে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট হবে

বিন্দু তালুকদার
সুনামগঞ্জে ৫০০ শয্যার একটি হাসপাতালসহ মেডিকেল কলেজ ও একটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনের দাবি জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের। দেশ স্বাধীনের পর থেকে নানা সময়ে জেলার দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধি ও সরকারের উচ্চ পদে আসীন সুনামগঞ্জের কর্মকর্তাগণ বিভিন্নভাবে এসব দাবি বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছেন। সব চেষ্টা বাস্তবে রূপ নিতে চলছে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে।
একনেকে সুনামগঞ্জে ৫০০ শয্যার একটি হাসপাতালসহ মেডিকলে কলেজ স্থাপন প্রকল্প অনুমোদন হওয়ার পর কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে একটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপন অনুমোদন হওয়ায় আশার আলো দেখতে পায় জেলাবাসী। 
সর্বশেষ গত ১৬ মে সুনামগঞ্জে ৫০০ শয্যার একটি হাসপাতালসহ মেডিকলে কলেজ ও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনে প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণের জন্য সিদ্ধান্ত হয়েছে। জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা স্থান নির্বাচন কমিটির সভায় দুইটি প্রতিষ্ঠানের জন্য দুইটি স্থান বাছাই করা হয়। সভার রেজুলেশন মোতাবেক সুনামগঞ্জে ৫০০ শয্যার একটি হাসপাতালসহ মেডিকলে কলেজ স্থাপনের জন্য দিরাই রাস্তার মোড়ের উত্তর-পশ্চিম দিকে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ১৫৬ নং জেএল-এর কাঠইর মৌজায় মোট ৮৪টি দাগে ২৯.২৪ একর জমি স্থায়ীভাবে অধিগ্রহণের জন্য নির্বাচন   
করা হয়। একইসাথে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনের জন্য সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ৩৯ জে.এল-এর কুতুবপুর মৌজার (সুরমা নদীর আব্দুজ জহুর সেতুর পশ্চিম দিকে) ৫ একর জমি জমি স্থায়ীভাবে অধিগ্রহণের জন্য নির্বাচন করা হয়। 
সভায় ওই দুইটি স্থান দু’টি প্রকল্পের জন্য উপযুক্ত বলে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়। ওই সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), সহকারি পুলিশ সুপার হেলাল উদ্দিন ভুইয়া, এসসি সুনামগঞ্জ এর অধ্যক্ষ বেলাল হোসেন, ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. গৌতম রায়, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান, জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা অনজন দাস ও গণপূর্ত বিভাগের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী আশরাফুল আলম উপস্থিত ছিলেন। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা স্থান নির্বাচন কমিটির ওই দিনের সভার রেজুলেশন গত ২৪ মে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহা পরিচালক ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা পরিচালককে পাঠানো হয়। 
বিএমএ সুনামগঞ্জ জেলার শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. নুরুল ইসলাম বলেন,‘ সুনামগঞ্জে একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবি দীর্ঘদিনের। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ৫০০ শয্যার হাসপাতালসহ একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপন হচ্ছে। এতে পিছিয়ে পড়া জেলার উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হবে। জেলার ছাত্র-ছাত্রীরা বাড়িতে থেকে ডাক্তার হওয়ার সুযোগ পাবে। মেডিকেল কলেজের জন্য যে জায়গাটুকু বাছাই করা হয়েছে তা বেশ উপযুক্ত হবে। কারণ এই জায়গাটুকু সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের পাশে ও বেশ কয়েকটি উপজেলার সংযোগ সড়কের পাশে।’  
সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পরিমল কান্তি দে বলেন,‘প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সুনামগঞ্জে একটি বিশ্ববিদ্যালয় ও একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপনে আমরা দ্রুত বাস্তবায়ন চাই। মেডিকেল কলেজের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করায় আমরা আনন্দিত। আমরা আশা করি এই দুই প্রতিষ্ঠান স্থাপনে দ্রুত পূর্ণতা পাবে। ’ 
অবসরপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ও বিএমএ জেলা শাখার সাবেক সভাপতি ডা. আব্দুর নূর বলেন,‘মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জন্য ভূমি অধিগ্রহণের উদ্যোগ নেয়ায় আমরা খুশি। তবে এটা স্থাপনের জন্য দ্রুত কাজ শুরু করতে হবে। সুনামগঞ্জের ৫০০ শয্যার হাসপাতালসহ মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই। দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ কামনা করি।’
জেলা স্থান নির্বাচন কমিটির সদস্য সচিব অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাবেরা আক্তার জানান, সুনামগঞ্জে ৫০০ শয্যার হাসপাতালসহ একটি মেডিকেল কলেজ ও একটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনের জন্য জেলা স্থান বাছাই কমিটির সভায় দুইটি প্রতিষ্ঠানের জন্যই স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। সভায় মেডিকেল কলেজের জন্য সদর উপজেলার মদনপুরে মেডিকেল কলেজ ও আব্দুর জহুর সেতুর পশ্চিম দিকে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনের জন্য স্থান নির্ধারণ করা হয়। স্থান নির্ধারণের বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট চিঠির মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। ’
উল্লেখ্য, সুনামগঞ্জ-৩ আসনের (দক্ষিণ সুনামগঞ্জ ও জগন্নাথপুর) সংসদ সদস্য, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান গত বছরের ৪ অক্টোবর রাজধানীতে একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করেছিলেন হাওরের জেলা সুনামগঞ্জে একটি আধুনিক হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ স্থাপনের। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেদিনের সভায় অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতমন্ত্রী এম এ মান্নানকে বলেছিলেন, ‘সুনামগঞ্জে হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ হবে, আপনারা পরবর্তী কাজ শুরু করুন।’
এর পরপরই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মোতাবেক কার্যক্রম শুরু হয়। সরকারের এনইসি-একনেক ও সমন্বয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সুনামগঞ্জে ৫০০ শয্যার হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ স্থাপনের উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুবিভাগ দ্রুত কাজ শুরু করে। সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে গত বছরের ২২ নভেম্বর সুনামগঞ্জের সিভিল সার্জনকে চিঠি দেয়া হয়। একইসাথে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে ৩০ একর ভূমি খোঁজার জন্য সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসককে চিঠি দেয়া হয়। 
গত ৪ অক্টোবর একনেকের সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুবিভাগ থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহা পরিচালককে সুনামগঞ্জে হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ স্থাপনের লক্ষ্যে ডিপিপি প্রণয়ন করে মন্ত্রণালয়ের প্রেরণের নির্দেশ দেয়া হয়। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও গবেষণা পরিচালক ডা. রাশিদুন নেছা গত ২২ নভেম্বর সুনামগঞ্জে ৫০০ শয্যার হাসপাতাল ও একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই করে দ্রুত এই বিষয়ে একটি মতামত প্রদানের জন্য সুনামগঞ্জের সিভিল সার্জনকে একটি চিঠি লিখেন। সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল হাকিম সুনামগঞ্জে নতুন করে ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল ও একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা ও সম্ভাব্যতা উল্লেখ করে গত ৪ ডিসেম্বর চিঠি দিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও গবেষণা পরিচালককে অনুরোধ করেন

খবরের বাকি অংশ

সিলেটের আলমপুরে তাবলীগ জামাতের কর্মিরা লাঞ্চিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : দক্ষিণ সুরমা আলমপুর লামারগাঁও জামে মসজিদে তাবলীগ জামাতের কর্মীদের লাঞ্চিত করেছে ওই মসজিদের মোতায়াল্লির ভাই ও ছেলেরা। গতকাল শনিবার বাদ যোহর এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, সকাল ৭টায় লামারগাঁও জামে মসজিদে ১৫ জনের একটি তাবলিগ জামাত আসে। যোহর নামাজ পড়ে ওই মসজিদের মোতায়াল্লি  মখন মিয়া তাবলিগ জামাতকে মসজিদ ছেড়ে যাওয়ার কথা বলেন। স্থানীয় মুসল্লীরা এর প্রতিবাদ করলে তাদের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ওই মোতায়াল্লির ছেলে তফশীলদার শাহীন কবির, শামুন কবির ও সোহেল এবং মোতায়াল্লির ভাই বাবুল মিয়া তাবলিগ জামাতের কর্মীদের লাঞ্চিত করে মসজিদ থেকে বের করে দেন। তাবলীগ কর্মীরা লাঞ্চিত হয়ে মসজিদ ছাড়তে বাধ্য হন। এ ঘটনায় স্থানীয় প্রতিবাদ করলে স্থানীয়দেরও ধাওয়া করে। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেছে।

স্থানীয় কালাম মিয়া জানান, আমরা তাবলীগ কর্মীদের বিদায় দিয়ে দিছি। এ ব্যাপারে স্থানীয় মুরব্বীরা বসে সিদ্ধান্ত নিবেন। এদিকে ঘটনার সাথে জড়িত তফশীলদার শাহিন কবির বলেন, সব খবর আপনারা রাখেন কেন। আমাদের পঞ্চায়েতের ব্যাপার আমরা দেখব। তাবলীগ জামাতকে মসজিদের ভেতরে জায়গা দেয়া না দেয়া আমাদের একান্ত ব্যাপার। মসজিদ আমাদের, সিদ্ধান্তও আমাদের।

এ ব্যাপারে আলমপুর পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ সুজন দেবনাথ জানান, তাবলিক জামাত কর্মীদের লাঞ্চিত হওয়ার খবর পেয়ে আমারা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাবলীগ জামাতের কাউকে পাইনি। এর আগে তারা চলে যান। তবে স্থানীয় কয়েকজন এ ঘটনার সত্যতা শিকার করেছেন আমাদের কাছে।

মোগলা বাজার থানার ওসি খায়রুল ফজল জানান, তাবলীগ জামাতের কর্মীদের লাঞ্চিত করা হয়েছে কি না তা জানি না। আমরা ঘটনাস্থলে তাবলীগের কোন কর্মীকে পাইনি। তবে এ ধরণের ঘটনা প্রশ্নবিদ্ধ।

খবরের বাকি অংশ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

facebbok