নিজস্ব প্রতিবেদক : দক্ষিণ সুরমা আলমপুর লামারগাঁও জামে মসজিদে তাবলীগ জামাতের কর্মীদের লাঞ্চিত করেছে ওই মসজিদের মোতায়াল্লির ভাই ও ছেলেরা। গতকাল শনিবার বাদ যোহর এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, সকাল ৭টায় লামারগাঁও জামে মসজিদে ১৫ জনের একটি তাবলিগ জামাত আসে। যোহর নামাজ পড়ে ওই মসজিদের মোতায়াল্লি মখন মিয়া তাবলিগ জামাতকে মসজিদ ছেড়ে যাওয়ার কথা বলেন। স্থানীয় মুসল্লীরা এর প্রতিবাদ করলে তাদের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ওই মোতায়াল্লির ছেলে তফশীলদার শাহীন কবির, শামুন কবির ও সোহেল এবং মোতায়াল্লির ভাই বাবুল মিয়া তাবলিগ জামাতের কর্মীদের লাঞ্চিত করে মসজিদ থেকে বের করে দেন। তাবলীগ কর্মীরা লাঞ্চিত হয়ে মসজিদ ছাড়তে বাধ্য হন। এ ঘটনায় স্থানীয় প্রতিবাদ করলে স্থানীয়দেরও ধাওয়া করে। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেছে।
স্থানীয় কালাম মিয়া জানান, আমরা তাবলীগ কর্মীদের বিদায় দিয়ে দিছি। এ ব্যাপারে স্থানীয় মুরব্বীরা বসে সিদ্ধান্ত নিবেন। এদিকে ঘটনার সাথে জড়িত তফশীলদার শাহিন কবির বলেন, সব খবর আপনারা রাখেন কেন। আমাদের পঞ্চায়েতের ব্যাপার আমরা দেখব। তাবলীগ জামাতকে মসজিদের ভেতরে জায়গা দেয়া না দেয়া আমাদের একান্ত ব্যাপার। মসজিদ আমাদের, সিদ্ধান্তও আমাদের।
এ ব্যাপারে আলমপুর পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ সুজন দেবনাথ জানান, তাবলিক জামাত কর্মীদের লাঞ্চিত হওয়ার খবর পেয়ে আমারা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাবলীগ জামাতের কাউকে পাইনি। এর আগে তারা চলে যান। তবে স্থানীয় কয়েকজন এ ঘটনার সত্যতা শিকার করেছেন আমাদের কাছে।
মোগলা বাজার থানার ওসি খায়রুল ফজল জানান, তাবলীগ জামাতের কর্মীদের লাঞ্চিত করা হয়েছে কি না তা জানি না। আমরা ঘটনাস্থলে তাবলীগের কোন কর্মীকে পাইনি। তবে এ ধরণের ঘটনা প্রশ্নবিদ্ধ।
স্থানীয় কালাম মিয়া জানান, আমরা তাবলীগ কর্মীদের বিদায় দিয়ে দিছি। এ ব্যাপারে স্থানীয় মুরব্বীরা বসে সিদ্ধান্ত নিবেন। এদিকে ঘটনার সাথে জড়িত তফশীলদার শাহিন কবির বলেন, সব খবর আপনারা রাখেন কেন। আমাদের পঞ্চায়েতের ব্যাপার আমরা দেখব। তাবলীগ জামাতকে মসজিদের ভেতরে জায়গা দেয়া না দেয়া আমাদের একান্ত ব্যাপার। মসজিদ আমাদের, সিদ্ধান্তও আমাদের।
এ ব্যাপারে আলমপুর পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ সুজন দেবনাথ জানান, তাবলিক জামাত কর্মীদের লাঞ্চিত হওয়ার খবর পেয়ে আমারা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাবলীগ জামাতের কাউকে পাইনি। এর আগে তারা চলে যান। তবে স্থানীয় কয়েকজন এ ঘটনার সত্যতা শিকার করেছেন আমাদের কাছে।
মোগলা বাজার থানার ওসি খায়রুল ফজল জানান, তাবলীগ জামাতের কর্মীদের লাঞ্চিত করা হয়েছে কি না তা জানি না। আমরা ঘটনাস্থলে তাবলীগের কোন কর্মীকে পাইনি। তবে এ ধরণের ঘটনা প্রশ্নবিদ্ধ।




0 মন্তব্য করেছেন:
Post a Comment