হাফিজুর রহমান আবু হানিফাঃ- শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক কিছু সুন্দরী যুবতী মেয়ের সাথে কিছু যুবক ছেলের মুখোমুখি বসে পাঁচ মিনিট কথা বলার উপর বাস্তব রিসার্চ চালিয়ে এই তথ্য প্রদান করেন যে, “কোন পুরুষ কোন সুন্দরী বা আকর্ষণীয় মেয়ের সংস্পর্শে আসলে ব্রেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেসেজ পাঠাতে থাকে পিটুইটারী গ্ল্যান্ডে, যার ফলে পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোন নিঃসরিত হতে থাকে বেশি মাত্রায় এবং এর ফলে মুখের স্যালিভা (লালা) বেড়ে যায়।
মহান আল্লাহ পবিত্র কোরানে বলেছে পুরুষকে যেটা সব চেয়ে বেশি আকর্ষণ করে সেটা হলো সর্ব প্রথম নারী।তার পরে ধারাবাহিক ভাবে অন্য গুলো, আর সেই নারী যদি খোলা মেলা ভাবে পুরুষের সাথে মেলা মেসা করে ,তাহলে সেই পুরুষের চরিত্র ওই সময়ে শয়তানে দখল করে নেয় কারণ আমরা কেহই সত্যি কারের ১০০ পার্সেন্ট খাটি মুসলিম না।১০০ পার্সেন্ট খাটি মুসলিম হলো তারাই আমাদের নবী রাসুল আর সাহাবীগণ।
যদি একটা অর্ধ উলঙ্গ নারী যদি রাস্তা দিয়ে হেটে যায় তাহলে অনেক পুরুষেই পাপের খাতায় নাম লিখাবে।এই জন্যই জনাব আহমেদ সফি যদি নারীকে তেতুলের সঙ্গে উপমা দিয়ে থাকেন তাহলে ভুল করেননি।তাতে মা বোনদের প্রতি কোনো রকমেই সন্মান ক্ষুন্ন হয়নি ,বরঞ্চ সন্মান রক্ষা করার জন্যই উনি কথাটা বলেছেন।তিনী নারীদেরকে বিজ্ঞাপনের পণ্য বানানোর বিরোধিতা করে বলেছিলেন, নারীদের কে সুরিক্ষিত রাখতে। সুরক্ষিত রাখার জন্য তিনি নারীদের পুরুষদের পৃথক রাখার কথা বলেছিলেন।নারীদের জন্য পৃথক শিক্ষা ব্যবস্থার কথা তিনি বলছিলেন।তিনি বলেছিলেন নারী পুরুষ স্বামী স্ত্রী বা হলে কখনো বন্ধু হতে পারেনা।যদিও এগুলি তার ব্যাক্তি গত দর্শন ছিল না, এগুলি ছিল ইসলামেরই হুকুম।
আমাদের সমাজে যারা নারীদের ভোগ্য পণ্য বানিয়ে ভোগ করতে চায় তাদের এই কথাগুলি ভাল লাগেনি।তারা এজন্য আল্লমা শফিকে কম কটাক্ষ করেন নি।যদিও এর মধ্যে রাজনৈতিক কারনও ছিল।সম্প্রতি দেশে ঘটে যাওয়া ধর্ষণের ঘটনাগুলি কি প্রমাণ করছে? এই ধর্ষণের বিচার অনেকেই চাইছেন।কিন্তু ধর্ষণের ঘটনাগুলি কেন ঘটছে, কি তার কারন এবং কি তার প্রতিকার এই বিষয়ে কয় জন কথা বলছেন।
সাম্প্রতিক ধর্ষণের ঘটনাগুলি থেকে একই বিষয় পরিস্কার যে, ধর্ষণের পূর্বে ভিক্টিমের সাথে ধর্ষকের একটি সম্পর্ক আছে,হোক সেটি জাস্ট বন্ধুর মত, কিংবা জি,এফ,বিএফ। ইসলাম নারীদের সুরক্ষিত রাখতে এই সম্পর্ক গুলির অনুমোদন দেয়া না।এই সম্পর্ক গুলি যদি না থাকে তাহলে কি বনানীর তরুণীরা ধর্ষিত হত?
আমাদের দেশে রাস্তা ঘাট থেকে নারীদের কিডনাপ করে কয়টী ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে?
যত গুলি ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে তা অনুসন্ধান করলে দেখা যায় ভিক্টিমের সাথে ধর্ষকের আগে থেকে একটি সম্পর্ক ছিল। বিবাহ বহিরভুত এই সম্পর্কটিই ৯৯% ক্ষেত্রে ধর্ষণের মত হিংস্র ঘটনার জন্ম দিচ্ছে। শুধু তাই নয় পরকীয়া কিংবা খুনের মত ঘটনা ঘাটলেও বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক পাওয়া যায়। আল্লামা শফির তেতুল তত্বের মুল বিষ্যটি ছিল নারী যেহেতু আকর্ষণীয় তাকে খোলামেলা রাখা যাবেনা,তাকে সুরিক্ষিত রাখতে হবে এবং নারীদের ভোগ্য পণ্য হিসেবে মিডিয়ার প্রচারণা বন্ধ করতে হবে।
আমাদের দেশে রাস্তা ঘাট থেকে নারীদের কিডনাপ করে কয়টী ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে?
যত গুলি ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে তা অনুসন্ধান করলে দেখা যায় ভিক্টিমের সাথে ধর্ষকের আগে থেকে একটি সম্পর্ক ছিল। বিবাহ বহিরভুত এই সম্পর্কটিই ৯৯% ক্ষেত্রে ধর্ষণের মত হিংস্র ঘটনার জন্ম দিচ্ছে। শুধু তাই নয় পরকীয়া কিংবা খুনের মত ঘটনা ঘাটলেও বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক পাওয়া যায়। আল্লামা শফির তেতুল তত্বের মুল বিষ্যটি ছিল নারী যেহেতু আকর্ষণীয় তাকে খোলামেলা রাখা যাবেনা,তাকে সুরিক্ষিত রাখতে হবে এবং নারীদের ভোগ্য পণ্য হিসেবে মিডিয়ার প্রচারণা বন্ধ করতে হবে।
আমাদের মিডীয়া এবং স্কুলার সমাজ নাটক সিনেমায় বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ককে প্রমোট করছে। অন্য কথায় আমরা বলতে পারি তারা ধর্ষণকে প্রমোট করছে।অন্য দিকে যে মোল্লাদের দেওয়া থিউরী নারীদের ধর্ষণ থেকে রক্ষা করে তাদের ব্যাক ডেটেড হিসেবে প্রচার করছে। মিডিয়ার মতে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক যদি নারীর ইচ্ছায় হয় তাহলে সেটা ঠিক আছে, জোর করে হলে ঠিক নেই।
এই কর্পোরেট মিডিয়া এবং সেকুলার সমাজ কে ধর্ষকের সাথে তুলনা করা হয় তাহলে খুব বেশি অন্যায় হবেনা,এরা নারীর ইচ্ছায় ধর্ষণে বিশ্বাস করে,শুধু অনিচ্ছায় ধর্ষণ কে অন্যায় মনে করে।অনিচ্ছায় যে ধর্ষণের ঘটনার জন্যও এরাই দায়ী।ধর্ষণের মত ঘটনা এরাই ঘটায়। ফেফাজতি মোল্লাদের কিন্তু ধর্ষণের মত ঘটনাতে জড়িত নয়,নারীদের গায়ের রঙ বিক্রি করে যারা পেট চালায় তারাই জড়িত।
এই কর্পোরেট মিডিয়া এবং সেকুলার সমাজ কে ধর্ষকের সাথে তুলনা করা হয় তাহলে খুব বেশি অন্যায় হবেনা,এরা নারীর ইচ্ছায় ধর্ষণে বিশ্বাস করে,শুধু অনিচ্ছায় ধর্ষণ কে অন্যায় মনে করে।অনিচ্ছায় যে ধর্ষণের ঘটনার জন্যও এরাই দায়ী।ধর্ষণের মত ঘটনা এরাই ঘটায়। ফেফাজতি মোল্লাদের কিন্তু ধর্ষণের মত ঘটনাতে জড়িত নয়,নারীদের গায়ের রঙ বিক্রি করে যারা পেট চালায় তারাই জড়িত।
লেখক মোহাম্মাদ মাজহার
সাংবাদিক ও কলামিস্ট।
সাংবাদিক ও কলামিস্ট।




0 মন্তব্য করেছেন:
Post a Comment