BDvairlnews: March 2017
,                              সদ্য সংবাদ:

tasnif media

tasnif media

Friday, 31 March 2017

প্রতিযোগিতা সমাপ্ত : পুরস্কার বিতরণী ও হামদ নাত মাহফিল ৮ এপ্রিল।

হাফিজুর রহমান আবু হানিফা/ স্টাফ ম্যানেজারঃ- সুনামগঞ্জ উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর ৩দিনব্যাপি প্রতিযোগিতা সফলতার সাথে সম্পন্ন হয়েছে। বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে সুনামগঞ্জের মেধাধী ছাত্র/ছাত্রীরা এতে অংশ গ্রহন করে। কওমী মাদরাসা, স্কুল-কলেজ ও হিফযুল কুরঅান বিভাগের মোট ৩শতাধিক প্রতিযোগী শরিক হয়ে প্রোগ্রামকে প্রাণবন্ত ও স্বার্থক করে তুলে। ৩টি বিভাগের সকল প্রতিযোগীদের চুড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হবে ৮ এপ্রিল শনিবার। ঐদিন বাদ নামাজে জুহর সুনামগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের মাঝে নগদ ১লক্ষ টাকার পুরস্কার ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে। পাশাপাশি গুণীজন সম্মাননা ও হামদ নাত মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। এতে দেশের সারাজাগানো কণ্ঠশিল্পী জাগ্রতকবি মুহিব খানসহ সুনামগঞ্জের শীর্ষ আলেমেদ্বীন, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।

সুনামগঞ্জ জেলা সদরের জামেয়া ইসলামিয়া বাইশগ্রাম বাহাদুরপুর মাদরাসায় অনুষ্ঠিতব্য  প্রতিযোগিতায় ১মদিন সুনামগঞ্জ জেলার ৪০টি কওমী মাদরাসার ইবতেদায়ী ৫ম বর্ষের ১৫০ জন ছাত্র/ছাত্রী অংশ গ্রহন করে। ৫টি বিষয়ের উপর তাদের লিখিত পরীক্ষা নেয়া হয়। ২য়দিন স্কুল-কলেজ পর্যায়ের ছাত্র/ছাত্রীদের মাঝে হামদ-নাত, ক্বিরাঅাত ও অাযানের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১৫টি প্রতিষ্ঠানের প্রায় অর্ধশত প্রতিযোগী অংশ গ্রহন করে। আজ হিফযুল কুরঅান প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে ৩দিনব্যাপি প্রতিযোগিতা সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। ১৫ ও ৩০ পারা দুটি গ্রুপে জেলার ৩০টি মাদরাসার শতাধিক প্রতিযোগী অংশ গ্রহন করে।

প্রতিযোগিতা সফল ও সুন্দর ভাবে সমাপ্ত হওয়ায় অংশ গ্রহনকারী, প্রতিষ্ঠান পরিচালক, শিক্ষকবৃন্দ ও সহযোগিতা প্রদানকারীদেরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মাওলানা তাফাজ্জুল হক আজিজ ও সেক্রেটারী মাওলানা তৈয়্যিবুর রহমান চৌধুরীসহ দায়িত্বশীলবৃন্দ। আজ এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে  আগামি ৮এপ্রিল পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ও হামদ-নাত মাহফিলে সুনামগঞ্জবাসীকে উপস্থিত থাকার জন্য অাহবান জানান।

খবরের বাকি অংশ

জামিয়া দারুল কুরআন সিলেটে 'সহীহ তরীকায় 'স্বাধীনতা দিবস পালিত

জামিয়া দারুল কুরআন সিলেটে 'সহীহ তরীকায় 'স্বাধীনতা দিবস পালিত,
২৬ শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে 'ছাত্র জমিয়ত জামিয়া শাখার উদ্দ্যোগে 'কুইজ প্রতিযোগীতা,আলোচনা সভা,পুরস্কার বিতরণী ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন।
ছাত্র জমিয়ত জামিয়া শাখার সহ সভাপতি_হাফিজ মাওলানা জুনাইদ আল হাদী'র সভাপতিত্বে,সাধারণ সম্পাদক ও যুগ্ম সম্পাদক যথাক্রমে আল আমীন আস সাদীক ও Arif Ahmed Chowdhury'র যৌথ পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরেন জমিয়তের কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব,সাবেক এমপি এডভোকেট মাওলানা Shahinoor Pasha Chowdhury,
বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সহকারী মহাসচিব ও সিলেট জেলা সেক্রেটারি,শায়খুল হাদীস মাওলানা আতাউর রহমান কোম্পানীগঞ্জী,
বক্তব্য রাখেন-যুব জমিয়ত নেতা,বিশিষ্ট হাদীস বিশারদ,সু-সাহিত্যিক,লেখক হাফিজ মাওলানা Ahtesham Qasime,
সুনামগঞ্জ জেলা জমিয়ত নেতা,তরুণ মুহাদ্দিস মাওলানা Saiduzzaman Alhaydor,
ছাত্র জমিয়ত সিলেট সদর সভাপতি Mufti Abdul Mumin,
সিলেট মহানগরী যুব জমিয়ত নেতা মাওলানা অাছাদ উদ্দীন,
অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা হিসেবে তাত্ত্বিক আলোচনা পেশ করেন,ছাত্র জমিয়ত কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি হাফিজ মাওলানা সায়্যিদ সুহাইল আহমদ,
সভায় দেশাত্মবোধক সঙ্গীত গেয়ে সবাইকে উৎফুল্ল করেন,বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী,সুরকার ও গীতিকার,মাদরাসাতুস সাহাবার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক স্যার Golam Mahmud সাহেব প্রমুখ।

খবরের বাকি অংশ

Thursday, 30 March 2017

সুনামগঞ্জ উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ৩দিনব্যাপি ২য় বার্ষিক প্রতিযোগিতার ২য়দিনে স্কুল-কলেজ পর্যায়ে হামদ নাত, ক্বিরাঅাত ও অাযানের প্রতিযোগিতা সম্পন্ন।

হাফিজুর রহমান আবুহানিফা/স্টাফ ম্যানেজারঃ-আজ ৩০ মার্চ, বৃহস্পতিবার, সকাল ১০টায় বাহাদুরপুর মাদরাসায় স্কুল-কলেজ পর্যায়ে ছাত্র/ছাত্রীদের মধ্যে ক্বিরাআত, হামদ নাত, ও আযানের প্রতিযোগিতায় স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে জেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছাত্রীদের অংশগ্রহনে সুন্দর ও সু-সৃঙ্খল ভাবে সমাপ্ত হয়।

সুনামগঞ্জ উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের উদ্দোগে ৩দিনব্যাপি সুনামগঞ্জ জেলাভিত্তিক ২য় বার্ষিক প্রতিযোগিতা ২৯ মার্চ বুধবার থেকে শুরু হয়েছে। শহরতলীর বাহাদুরপুর মাদরাসায় ১মদিন কওমী মাদরাসার ইবতেদায়ী ৫ম বর্ষের মেধা যাচাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সুনামগঞ্জ জেলার ৪০টি মাদরাসার ১৫০জন ছাত্র/ছাত্রী অংশ গ্রহন করে।

এবং ৩১ মার্চ, শুক্রবার জেলাব্যাপী হিফযুল কুরঅান প্রতিযোগিতা ২টি বিভাগে প্রায় ৮০ জন ছাত্র ছাত্রীর অংশ গ্রহনে সু-দক্ষ বিচারক মন্ডলীদ্বারা সকাল ৯টা থেকে বাহাদুরপুর মাদ্রাসায় অনুষ্ঠিত হবে।

আজ সকাল ১১টায় পরীক্ষার সেন্টার পরিদর্শন করেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান- মাও তাফাজ্জুল হক আজিজ, সেক্রেটারী ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা তৈয়্যিবুর রহমান চৌধুরী,
সহ-সেক্রেটারী মাওলানা ইমদাদুল হক, মাও আরিফ রব্বানী, আমার সুরমা ডট কম-এর সদর প্রতিনিধি, হাফিজুর রহমান আবু হানিফা, প্রমুখ।

খবরের বাকি অংশ

একটা ছেলেমেয়েও যেন সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের পথে না যায়’


তিনি অভিভাবক, শিক্ষক, মসজিদের ইমাম এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জড়িত, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও পেশাজীবীসহ সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, “একটা ছেলেমেয়েও যেন সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের পথে না যায়।”
বুধবার বিকালে ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য দিচ্ছিলেন শেখ হাসিনা।
সিলেটে জঙ্গিবিরোধী অভিযান শেষ হওয়ার পর মৌলভীবাজার ও কুমিল্লায় জঙ্গি আস্তানা ঘিরে পুলিশের অভিযানের মধ্যে এই আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী।
ধর্মের নামে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইসলাম শান্তির ধর্ম। নিরীহ মানুষকে হত্যার কথা বলে নাই। নিরীহ মানুষকে হত্যা করা আর আত্মহননের পথ বেছে নেওয়া এটা কখনও ইসলাম সমর্থন করে না।
“আজকে যারা সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের পথে গেছে, তারা ইসলাম ধর্মের বদনাম করছে। ইসলাম ধর্মকে কলুষিত করছে, হেয় করছে, বিশ্বব্যাপি মুসলমানদের মান-সন্মান নষ্ট করে দিচ্ছে।”
এই পথ যাতে পরিহার করা হয় সেইভাবে ব্যবস্থা নিতে সবার প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
বিএনপি-জামায়াতের সমালোচনা করে তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নের সময় দল দুটি জঙ্গিবাদ ও ধংসাত্মক কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত থাকে। বিএনপি-জামায়াতের হরতাল-অবরোধে আগুনে পুড়িয়ে মানুষ হত্যার প্রসঙ্গও তোলেন শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, “তাদের অত্যাচার নির্যাতন সবসময় চলে। আন্দোলনের নামে ২০১৩, ২০১৪, ২০১৫ তে তারা কিভাবে অত্যাচার করেছে এদেশের মানুষের ওপরে। বায়তুল মোকাররম মসজিদে তারা আগুন দিয়েছে। শত শত কোরান শরীফ তারা পুড়িয়েছে।“তারা একদিকে ধর্মের কথা বলে আর অন্যদিকে কোরান শরীফ পোড়ায় এবং মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলে সেটাও আমরা দেখেছি। এই তিন বছরে ৫০৮ জনকে আগুণে পুড়িয়ে তারা হত্যা করেছে।”
তাদের রাজনীতি কি- এ প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পেট্রোল বোমা দিয়ে মানুষ পোড়ানো। হুকুম দেয় কে? ওই গুলশানে এয়ারকন্ডিশন রুমে বসে খালেদা জিয়া হুকুম দেয়।”
সমাবেশে তার শাসনামলে দেশের বিভিন্ন খাতের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরেন আওয়ামী লীগ প্রধান।
প্রধানমন্ত্রী এসময় আগামী জাতীয় নির্বাচনে তার দল আওয়ামী লীগের প্রতীক নৌকায় ভোট চান।
শেখ হাসিনা বলেন, “আমি আপনাদের কাছে ওয়াদা চাই। ২০১৯ সালে নির্বাচন হবে। আমরা যাতে আমাদের উন্নয়ন কাজ অব্যাহত রাখতে পারি তার জন্য আপনাদের কাছে নৌকায় ভোট চাই। আপনারা কি নৌকায় ভোটে দেবেন? হাত তুলে বলেন।”
জনসভায় আসা সবাই তখন নৌকায় হাত তুলে সমর্থন জানান।
শেখ হাসিনা নৌকা মার্কার জন্য সাধারণ মানুষের কাছে ভোট চাইতে দলীয় নেতাকর্মীদেরও আহ্বান জানান।
ঢাকা বিভাগ ভেঙ্গে ফরিদপুর, মাদারিপুর, শরিয়তপুর, গোপালগঞ্জ নিয়ে আরেকটি বিভাগ করা হবে বলে জানান তিনি।জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুবল চন্দ্র সাহার সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, তোফায়েল আহমেদ, ওবায়দুল কাদের, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, আবদুর রহমান প্রমুখ।  
প্রধানমন্ত্রী কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন এবং ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। 
উদ্বোধন
ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় নির্মাণ প্রকল্প, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্প, পল্লী কবি জসীম উদ্দীন সংগ্রহশালা নির্মাণ প্রকল্প, ফরিদপুর ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি নির্মাণ প্রকল্প, শিশু একাডেমি নির্মাণ প্রকল্প, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপ-মহাপরিদর্শকের কার্যালয় নির্মাণ প্রকল্প, জেলা মুক্তিযোদ্ধ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ প্রকল্প, আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস নির্মাণ প্রকল্প।
ফরিদপুর ৫০ মেগাওয়াট পিকিং পাওয়ার প্লান্ট নির্মাণ প্রকল্প, সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের একাডেমিক কাম পরীক্ষা হল নির্মাণ প্রকল্প, সদর উপজেলাধীন চর কমলাপুর খেয়াঘাট থেকে বিলমামুদপুর স্কুল সড়কে কুমার নদীর উপর ৯৬.০০ মিটার দীর্ঘ আরসিসি সেতু নির্মাণ প্রকল্প, ভাংগা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ প্রকল্প, মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্প, আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস নির্মাণ প্রকল্প, বিএসটিআই ভবন নির্মাণ প্রকল্প, ভাংগা থানা ভবন নির্মাণ প্রকল্প, মধুখালী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন নির্মাণ প্রকল্প, সদর উপজেলা হতে বাখুন্ডা জিসি হয়ে রসুলপুর ভায়া চরনিখুরদি সড়ক বিসি দ্বারা উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্প, ফরিদপুর সদর উপজেলাধীন ডিক্রিরচর ইউনিয়নের মুন্সিডাঙ্গী কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ প্রকল্প, ৩৩/১১ কেভি হারুকান্দি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র।ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
কুমার নদ পুনঃখনন প্রকল্প, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, আলফাডাঙ্গা এর নির্মাণ প্রকল্প, ফরিদপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয় নির্মাণ প্রকল্প, পুলিশ হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্প, পুলিশ অফিসার্স মেস নির্মাণ প্রকল্প, সালথা টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের একাডেমিক কাম প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ প্রকল্প, চন্দ্রপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প, সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ, ফরিদপুর এর ছাত্রী নিবাস নির্মাণ প্রকল্প, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নির্মাণ প্রকল্প, ১৫০০ আসন বিশিষ্ট মাল্টিপারপাস হল রুম নির্মাণ প্রকল্প (জেলা পরিষদ কর্তৃক নির্মিত), সালথা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন নির্মাণ প্রকল্প, সদরপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন নির্মাণ প্রকল্প।

খবরের বাকি অংশ

পুলিশের সাথে জঙ্গীদের চুরান্ত পর্যায়ের গুলাগুলি

অভিযান সংশ্লিষ্ট এক বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সোয়াট সদস্যরা নাসিরপুরে অভিযানের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছেন।

খবরের বাকি অংশ

Thursday, 23 March 2017

সিলেটে আলীগের সম্মলেন:খাবার নিয়ে হাতাহাতি আহত ৭ জন

সিলেট রিপোর্ট: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’র সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলনে খাবার নিয়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। সম্মেলন সুত্র জানিয়েছে,সভাপতির বক্তব্য শেষ হওয়ার সাথে সাথে উপস্থিত নেতাকর্মীদের খাবারের আহ্বান জানান সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদক কামরান।সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন কামরান মাইকে খাবারের কথা বলার সাথে সাথেই সম্মেলনস্থলের উত্তর দিকে ছিল খাবারের আয়োজন। এর দায়িত্বে ছিলেন সিলেট জেলা ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতাকর্মীরা।
এসময় উত্তর দিক থেকে খাবার সম্মেলনস্থলে নিয়ে আসার পথেই নেতাকর্মীরা স্বেচ্ছাসেবকদের হাত থেকে ছিনিয়ে নেন খাবারের প্যাকেটগুলো। পরে মাঠে পিকআপ ভ্যানে করে খাবার প্রবেশ করার সময় ভ্যান থেকেও নেতাকর্মীদের খাবারের প্যাকেটগুলো ছিনিয়ে নিতে দেখা গেছে। এসময় তাড়াহুড়ো কবলে পড়ে ৬/৭ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এসময় বেশিরভাগ নেতাকর্মীকে খাবার না খেয়েই সম্মেলনস্থল ত্যাগ করতে দেখা গেছে।

খবরের বাকি অংশ

Tuesday, 21 March 2017

কেমুসাস বইমেলার উদ্বোধন বই মানুষের তৃতীয় নয়ন, জীবনের বন্ধু

দেশের প্রাচীনতম সাহিত্য প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ (কেমুসাস)-এর দশম বইমেলা শুরু হয়েছে। সোমবার বিকেল চারটায় বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্য দেন সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. সালেহ উদ্দিন। এর আগে লেখক-পাঠক ও বইপ্রেমী মানুষের সরব উপস্থিতে ফিতা কেটে বইমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন কেমুসাসের সাবেক সভাপতি হারুনুজ্জামান চৌধুরী ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. সালেহ উদ্দিন বলেন, কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ শুধু দেশের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানই নয়, মননশীল মানুষের উর্বর বিচরণ কেন্দ্রও। তিনি বলেন, সিলেটে ছয়টি বিশ^বিদ্যালয় ও চারটি মেডিকেল কলেজ থাকলেও মননশীল পাঠকদের চিন্তার খোরাক জোগানোর মতো কোন লাইব্রেরি গড়ে ওঠেনি। এÿেত্রে কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ আলোর দিশারী হিসেবে কাজ করছে।
কেমুসাসের সভাপতি প্রফেসর মো. আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে ও বইমেলা উপকমিটির সদস্য সচিব সৈয়দ মবনুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সাবেক সভাপতি হারুনুজ্জামান চৌধুরী, বইমেলা বা¯Íবায়ন উপকমিটির আহবায়ক আ ন ম শফিকুল হক, বিশিষ্ট গবেষক আবদুল হামিদ মানিক, কেমুসাসের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী, কেমুসাসের সহসভাপতি মোঃ বশিরুদ্দিন ও সেলিম আউয়াল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. সালেহ উদ্দিন আরো বলেন, জ্ঞানের রাজ্যে সিলেটবাসীর সময় কাটানোর একটি মনোরম জায়গা হলো কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ। তিনি অভিভাবকদেরকে বিকেল বেলায় তাদের সন্তানদের সাহিত্য সংসদে নিয়ে আসার আহবান জানিয়ে বলেন, শিশুদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের প্রধান ÿেত্র হলো লাইব্রেরি। তিনি কেমুসাস কর্তৃপÿের প্রতি একটি শিশু কর্ণার খোলার আহবান জানান। যে কর্ণারে শিশুতোষ বইয়ের পাশাপাশি খেলার উপকরণও থাকবে।
সভাপতির বক্তব্যে প্রফেসর মো. আব্দুল আজিজ বলেন, পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মানুষ প্রচুর বই পাঠ করলেও আমাদের দেশে এখনো সেভাবে বইয়ের পাঠক তৈরি হয়নি। অথচ বই পাঠ ছাড়া কোনো দেশের জনগণের মনোজাগতিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি সবাইকে ব্যাপক বই পড়ার আহবান জানিয়ে বলেন, বই মানুষের চোখের সংখ্যা বৃদ্ধি করে, বই মানুষের তৃতীয় নয়ন, জীবনের বন্ধু। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ মানুষকে বই পড়ার প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে প্রতি বছর বইমেলার আয়োজন করছে।
কেমুসাসের সাবেক সভাপতি হারুনুজ্জামান চৌধুরী বলেন, কেমুসাস বইমেলা সিলেটবাসীর প্রাণের মেলা। এখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই একসাথে জ্ঞানের পরিধি বি¯Íারে কাজ করেন। তিনি বলেন, একুশে বইমেলার পরই কেমুসাস বইমেলা একটি সুসংগঠিত বইমেলা। বিশিষ্ট গবেষক আব্দুল হামিদ মানিক বলেন, যে বিষয় শুরু হয়ে শেষ হয়ে যায়, সেটা ইতিহাস। আর যা শুরু হয়ে চলতে থাকে সেটা ঐতিহ্য। কেমুসাস বইমেলা সিলেটবাসীর ঐতিহ্য। এ ঐতিহ্য ধরে রাখতে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
বইমেলা বা¯Íবায়ন উপকমিটির আহবায়ক আ ন ম শফিকুল হক বলেন, দশম কেমুসাস বইমেলা সফল করতে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। তিনি সিলেটবাসী প্রতিদিন বইমেলায় উপস্থিত হওয়ার আহবান জানিয়ে বলেন, এ বইমেলার সফলতা সিলেটবাসীর সফলতা। কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী বলেন, এবারে দশম কেমুসাস বইমেলা উৎসর্গ করা হয়েছে কেমুসাসের সাবেক সভাপতি আমীনূর রশীদ চৌধূরীর স্মৃতির উদ্দেশ্যে। তিনি সবাইকে তাঁর জীবনী পাঠ করার আহবান জানিয়ে মরহুমের সংÿিপ্ত জীবনী উপস্থাপন করেন।
সন্ধ্যা ৭টায় বইমেলা মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় স্বরচিত কবিতা পাঠের আসর। কবি মুহিত চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও মামুন হোসেন বিলাল ও ফিদা হাসানের যৌথ উপস্থাপনায় এতে আলোচনায় অংশ নেন কবি আনোয়ার হোসেন মিছবাহ, সৈয়দ মোহাম্মদ তাহের, নাজনীন আক্তার কণা, ইশরাক জাহান জেলী ও বাশিরুল আমিন। লেখা পাঠে অংশগ্রহণ করেন গায়ত্রী রানী রায়, কাজী আল মামুন, কামাল আহমদ, নেসার আহমদ জামাল, সিরাজুল হক, সুফিয়ান আহমদ, মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম, সৈয়দ মুক্তদা হামিদ, মিনহাজ হৃদয়, বাহা উদ্দিন বাহার, আকরাম সাবিত, এখলাসুর রহমান, এম এ ওয়াহিদ চৌধুরী, এম আলী হোসাইন ও শাহীন উদ্দিন। এর আগে বিকেল পাঁচটায় বইমেলা মঞ্চে সামশীর হারুনুর রশীদের ‘আদর্শ সংবাদ ও সাংবাদিকতা’ বইয়ের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
এবারের বইমেলায় ২৯টি প্রতিষ্ঠান ও প্রকাশনা সংস্থা অংশ নিয়েছে। এর বাইরে লিটলম্যাগ কর্ণার, কেমুসাসের নিজস্ব স্টল ও বইমেলা তথ্যকেন্দ্র রয়েছে। বিগত বছরগুলোর ধারাবাহিকতায় এবার মেলায় সর্বোচ্চ ৩০% কমিশনে বই বিক্রি করবে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান । ২০ মার্চ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত চলবে এ বইমেলা । আজ মেলা প্রাঙ্গণে রয়েছে ক ও খ গ্রæপের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও প্রকাশনা উৎসব। বিজ্ঞপ্তি।

খবরের বাকি অংশ

Monday, 20 March 2017

হিলফুল ফুযুুল জামালগঞ্জের কাউন্সিল সম্পন্ন


হিলফুল ফুযুুল জামালগঞ্জের কাউন্সিল সম্পন্ন

আরীফ রব্বানী:
গত ০৩/০৩/২০১৭   সামাজিক সংগঠন "হিলফুল ফুযুল জামালগঞ্জ " এর কাউন্সিল সংগঠন কার্যালয়ে অসংখ্য সদস্যদের উপস্থিতিতে  অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কাউন্সিলে ফের সভাপতি নির্বাচিত হলেন মাওলানা লুৎফুর রহমান খাঁন এবং সেক্রেটারি পদে নির্বাচিত হলেন বিশিষ্ট কবি ও কলামিস্ট ত্রৈমাসিক ‘মুক্তধারা’র সম্মানিত উপদেষ্টা রেজাউল করিম কাপ্তান।
উল্লেখ্য সুনামগঞ্জের  জামালগঞ্জ উপজেলার এই  ইসলামী  সংগঠন ‘হিলফুল ফুযুল’ এর ও কাউন্সিল সুদির্ঘ ৫ বছর মেয়াদী কমিটির মেয়াদ  সমাপ্ত হওয়ায় পর অনুষ্টিত হয়। গত হওয়া  কমিটিতে ও সভাপতি ছিলেন মাওলানা লুৎফুর রহমান খাঁন ও সেক্রেটারি ছিলেন কবি ও কলামিস্ট রেজাউল করিম কাপ্তান। এ ব্যাপারে রেজাউল করিম কাপ্তান বলেন আমি সততার সাথে দায়িত্ব পালন করেছি।যে আস্তা নিয়ে অন্যান্য সদস্যরা আমাকে সমর্থন করেছেন আমি আমার দায়িত্বের ব্যাপারে সচেতন থাকব।এ ব্যাপারে তিনি সবার দোয়া চেয়েছেন।

খবরের বাকি অংশ

রায়পুরীর নেতৃত্বাধীন সিলেট মহানগর জমিয়তের কমিটি বহাল !

সিলেট রিপোর্ট: জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল্লামা আব্দুল
মোমিন শায়খে ইমামবাড়ী এক নির্বাহী আদেশে
সম্প্রতি বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সিলেট মহানগর
জমিয়তের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণার আদেশ স্থগিত
করেছেন। আজ সোমবার (২০ মার্চ) জমিয়ত
সভাপতি আল্লামা আব্দুল মোমিন শায়খে ইমামবাড়ী
স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য
জানানো হয় ।
মাওলানা আলী নুর কর্তৃক সিলেট রিপোর্ট-এ
প্রেরিত বার্তায় দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি
স্বাক্ষরিত একপত্রে সিলেট মহানগর জমিয়তের
সভাপতি মাওলানা মনছুরুল হাসান রায়পুরী ও ভারপ্রাপ্ত
সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আলী নূর-কে বর্তমান কমিটির
কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ প্রদান করেন। পত্রে
আল্লামা ইমামবাড়ী বলেন, অদ্য হতে সিলেট
মহানগর জমিয়তের সার্বিক তদারকির দায়িত্ব
কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে আমি নিজে গ্রহণ
করলাম। একই সাথে মহানগরে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে,
সংগঠনের সার্বিক সমস্যা সমাধানে ৯ সদস্য বিশিষ্ট
তদন্ত কমিটি গঠন করে দেন। তদন্ত কমিটির
সদস্যবৃন্দ হচ্ছেন যথাক্রমে কেন্দ্রীয় সহ-
সভাপতি মাওলানা মনছুরুল হাসান রায়পুরী, যুগ্ম মহাসচিব
এডভোকেট মাওলানা শাহীনূর পাশা চৌধুরী,
কেন্দ্রীয় সদস্য- মাওলানা ইমদাদুল্লাহ (সাহেব
জাদায়ে শায়েখে ইমামবাড়ী),সিলেট মহানগর
জমিয়তের সহ-সভাপতি মাওলানা রেজাউল করিম
কাসেমী, কেন্দ্রীয় সদস্য মাওলানা আব্দুল মালিক
চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক হাফিজ সৈয়দ শামীম আহমদ,
শাখা সহ-সভাপতি মাওলানা
মুফতী আলতাফুর রহমান, কেন্দ্রীয় সদস্য হাফিজ
আব্দুর রহমান সিদ্দিকী, শাখা সদস্য মুফতী শামসুল
ইসলাম। অপর এক আদেশে (আব্দুর রহমান
সিদ্দিকীকে আহবায়ক করে গঠিত ১১ সদস্যের)
সিলেট মহানগর জমিয়তের আহবায়ক কমিটির নির্দেশনা
স্থগিত ঘোষণা করেন।
প্রসঙ্গত. এর আগে গত ১৬ মার্চ সংগঠনের
কেন্দ্রীয় সভাপতি আল্লামা শায়খ আব্দুল মোমিন ও
মহাসচিব আল্লামা নূর হোছাইন কাসেমী স্বাক্ষরিত
এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হযেছে, জমিয়তে উলামায়ে
ইসলাম বাংলাদেশ সিলেট মহানগর শাখার অভ্যন্তরিন
জটিলতা ও বর্তমান উদ্ভুত পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে
দলের ভাবমূর্তি রক্ষা করতে ও ইতিহাস ঐতিহ্য
ঠিকিয়ে রাখতে সিলেট মহানগর কমিটিকে ভেঙ্গে
দেওয়া ছাড়া আর কোন পথ অবশিষ্ট নেই’ বলে
উল্লেখ করা হয়। তাই জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম
সিলেট মহানগর কমিটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করছি।’
এদিকে মাত্র ৩ দিনের ব্যবধানে স্থগিতাদেশ
কেনো প্রত্যাহার করা হলো এমন প্রশ্নের
জবাবে কেন্দ্রীয় সভাপতি আল্লামা আব্দুল
মোমিনের একঘনিষ্টজন সিলেট রিপোর্টকে
জানান, হুজুর শারিরীক ভাবে অসুস্থ,তার সিকট বিষয়টি
ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি বিস্তারিত
অবগত হয়ে সর্বশেষ সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।’

খবরের বাকি অংশ

Sunday, 19 March 2017

সুষ্টভাবেই মহানগর ছাত্র জমিয়তের কাউন্সিল সম্পন্ন

ছাত্র জমিয়ত সিলেট মহানগরী শাখার দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশন গত ১৭ মার্চ শুক্রবার বিকেল ৩ টায় নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে সম্পন্ন হয়েছে। মহানগর ছাত্র জমিয়তের আহবায়ক মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক সরকারের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব এম বেলাল আহমদ চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর জমিয়তের সভাপতি হাফিজ মাওলানা মনছুরুল হাসান রায়পুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর জমিয়তের সহ সভাপতি রেজাউল করিম ক্বাসিমী, মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী, প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহমুদুল হাসান, হাফিজ ইকরামুল আজিজ, মুফতী আলতাফুর রহমান বিরামপুরী, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আলী নুর, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা তোফায়েল আহমদ উসমানী। প্রশিক্ষণ সম্পাদক ফয়সাল জাকওয়ান। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খায়রুজ্জামান, মুফতী শামসুল ইসলাম, হাফিজ মাসরুর আহমদ, মাওলানা আখতারুজ্জামান, ছাত্র জমিয়ত সিলেট মহানগরীর সাবেক সভাপতি মাওলানা হাসান আহমদ, সৈয়দ উবায়দুর রহমান, মাওলানা সাইফুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানের সর্বসম্মতিক্রমে প্রধান অতিথি হাফিজ মাওলানা মনছুরুল হাসান রায়পুরী ৫১ সদস্য বিশিষ্ট সিলেট মহানগর ছাত্র জমিয়তের কমিটির নাম ঘোষণা করেন। কমিটির দায়িত্বশীলগণ হচ্ছেন- সভাপতি মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক সরকার, সিনিয়র সহ সভাপতি এম. বেলাল আহমদ চৌধুরী, সহ সভাপতি রেজাউল হক্ব এল.এল.বি, ফুজায়েল আহমদ, নাজমুল ইসলাম, হাফিজ শাব্বির আহমদ রাজী, সায়েম আহমদ, আবু সুফিয়ান, আবুল খয়ের, ফয়েজ আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মামুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমীন, শাহিদ আহমদ হাতিমী, সহ সাধারণ সম্পাদক শেখ আলবাব হোসাইন, হাফিজ ফেরদাউস রুম্মান, কায়সান মাহমুদ আকবরী, আরিফ রব্বানী, ইমাম উদ্দিন, হাফিজ জাহেদ আহমদ, আবু সুফিয়ান, সাংগঠনিক সম্পাদক ক্বারী শহীদ আহমদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ আব্দুস সালাম, মাহদী হাসান মিনহাজ, আবু হানিফ সাদী, প্রচার সম্পাদক হাফিজ আতিকুর রহমান হাতিমী, সহ প্রচার সম্পাদক আবু মারজান, অর্থ সম্পাদক হাফিজ সাখাওয়াত শিকদার, সহ অর্থ সম্পাদক আইয়ূব খান, পাঠাগার সম্পাদক সালমান আহমদ, সহ পাঠাগার সম্পাদক হক নেওয়াজ মুরাদ, সাহিত্য সম্পাদক আসাদ আহমদ চৌধুরী, সহ সাহিত্য সম্পাদক জামিল আহমদ, অফিস সম্পাদক আব্দুল ওয়াহিদ সিদ্দিকী, প্রশিক্ষণ সম্পাদক আব্দুল হাই, সহ প্রশিক্ষণ সম্পাদক ফয়সল জাকওয়ান, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক কামরুল ইসলাম মাহি, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সৈয়দ মুশাররফ হোসাইন, কওমী মাদরাসা বিষয়ক সম্পাদক মিসবাহ তালুকদার, আলীয়া মাদরাসা বিষয়ক সম্পাদক ফাহিম আহমদ সুমন, স্কুল-কলেজ-ভার্ সিটি বিষয়ক সম্পাদক জি.কে. লিকসন, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান, দুর্যোগ ও ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক নাসির উদ্দিন, সহ দুর্যোগ ও ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক হাফিজ আনোয়ার, ছাত্র কল্যাণ সম্পাদক আল আমিন সাদিক, শরীর চর্চা বিষয়ক সম্পাদক আবুল হোসাইন, সদস্য আজহার মাহমুদ চৌধুরী, মুহাম্মদ নিয়ামত উল্লাহ, আতিকুর রহমান, সাদিকুর রহমান চৌধুরী, হেলাল আহমদ, আব্দুল করিম হেলালী, আবু বকর সিদ্দিক, আফজাল হোসেন, সাঈদ আহমদ, আনোয়ার হোসেন, জুনায়েদ আহমদ, সৈয়দ গুলজার আহমদ, রেজাউল করিম, মাহফুজ বিন আব্দুল হাফিজ, নোমান সালেহ, উম্মান আহমদ, মোস্তাক খান, এহিয়া মঞ্জুর, মিসবাহ নাহিদ।

খবরের বাকি অংশ

ধর্ষণের হার ভয়াবহ আকারে বাড়ছে

কওমিকণ্ঠ :: নারী নির্যাতনের ধরন যেমন পাল্টাচ্ছে, তেমনি এর সহিংসতাও দিনদিন বাড়ছে। বিশেষত মেয়ে শিশুদের ক্ষেত্রে এর ভয়াবহতা আরো বেশি। ব্র্যাকের তথ্যানুযায়ী, ২০১৬ সালে নথিভুক্ত মোট নারী নির্যাতনের মধ্যে মেয়ে শিশু নির্যাতনের হার ২০ শতাংশ। মেয়ে শিশুদের মধ্যে ১২-১৭ বছর বয়সীরা সবচেয়ে বেশি (৬০ দশমিক ৬৩ শতাংশ) নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ১৮ বছরের নিচে প্রতিদিন গড়ে ১ দশমিক ৭ জন শিশু ধর্ষণের শিকার। আর মেয়ে শিশু ছাড়া অন্য নারীদের ক্ষেত্রে নির্যাতনের হার ৮০ শতাংশ। আজ মঙ্গলবার (১৪ মার্চ, ২০১৭) রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত ‘নারী নির্যাতন প্রতিরোধে আমাদের করণীয়- শীর্ষক জাতীয় পর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠকে ব্র্যাক পরিচালিত নারী নির্যাতনের ঘটনার তথ্য বিশ্লেষণ ও মূল উপস্থাপনায় এ চিত্র তুলে ধরেন ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়নের কর্মসূচির (সিইপি) কর্মসূচি প্রধান ফারহানা হাফিজ। ব্র্যাক আয়োজিত এই গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথি ছিলেন- মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাহমুদা শারমীন বেনু। ব্র্যাকের এডভোকেসি ফর সোশ্যাল চেঞ্জের পরিচালক কেএএম মোর্শেদ-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানম, আইসিডিডিআরবি’র সিনিয়র গবেষক ড. রুচিরা তাবাসসুম নভেদ, ডেপুটি কমিশনার (উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন) ও ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের প্রধান ফরিদা ইয়াসমীন, একাত্তর টেলিভিশনের প্রধান সম্পাদক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বাবু প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন- ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন, জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটি এবং সমন্বিত উন্নয়ন কর্মসূচির পরিচালক আন্না মিনজ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাহমুদা শারমীন বেনু ব্র্যাকের এ ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘নারী নির্যাতন’ শুধু একা নারীদের সমস্যা নয়, এটা পুরুষদেরও সমস্যা। এখানে নারী-পুরুষ সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। এ দিকটি মাথায় রেখে আমরা এখন প্রতিটি ইউনিয়নে কিশোর-কিশোরী ক্লাব গঠনের উদ্যোগ নিয়েছি। এর পাশাপাশি সরকার নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে ৪৯০ টি উপজেলায় স্থানীয় চাহিদার নিরিখে ১৮ ধরনের ব্যবসার ক্ষেত্রে নারীদের সহযোগিতা দিচ্ছে। আয়েশা খানম নারী নির্যাতন প্রতিরোধে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নারীদের আরো বেশি সোচ্চার হওয়ার তাগিদ দেন। তিনি বলেন, নারী নির্যাতন রোধে আমাদের ভালো আইন আছে ঠিকই। কিন্তু অনেক নারী আছেন  যারা এ ধরনের আইন সম্পর্কে জানেন না। এখন আমাদের আইন সম্পর্কে  জানানোর জন্য উদ্যোগ নিতে হবে। তিনি বলেন, ব্র্যাকসহ বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা নারী নির্যাতন প্রতিরোধে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডের কারণে ‘ভালো আইন প্রণয়নে’ সাফল্য এসেছে। এখন সময় এসেছে এগুলের ফলাফল বিশ্লেষণ ও সঠিক মনিটরিং এর মাধ্যমে পরিবার, সমাজ, সুশীল সমাজ, বেসরকারি সংস্থা ও সরকারের সহযোগিতায় একটি একক প্ল্যাটফর্ম গঠন করা। এতে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ সহজ হবে।  ফরিদা ইয়াসমীন বলেন, শুধু আইন দিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ অসম্ভব। এখনও আমাদের সমাজে প্রতিদিন নিগৃহীত হচ্ছেন নারীরা। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের আইন নিয়ন্ত্রণ সংস্থার পাশাপাশি প্রতিটি ব্যক্তি,পরিবার, বেসরকারি সংস্থা, সুশীল সমাজসহ সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে। আন্না মিনজ নারী নির্যাতন প্রতিরোধে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে দাতা সংস্থার প্রতি আরো অর্থায়নের তাগিদ দেন। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ক্ষেত্রে দাতাদের মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার আর্থিক সহায়তা এলেও এই খাতে সন্তোষজনক সহায়তা পাওয়া যায় না।  গোলটেবিল বৈঠকে ২০১৬ সালের নারী নির্যাতন চিত্র এবং করণীয় বিষয়সমূহ তুলে ধরা হয়। ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন কর্মসূচির ২০১৬ সালে ৫৫ টি জেলায় ও ৩৭৯ টি উপজেলায় নির্যাতনের শিকার নারীদের তথ্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে তথ্য সংরক্ষণ করে। নথিভুক্ত তথ্যানুযায়ী দেখা যায়, মোট নির্যাতনের মধ্যে শারীরিক নির্যাতনের হার ৬৭ শতাংশ, যৌন নির্যাতনের হার ১৯ শতাংশ এবং মানসিক নির্যাতনের হার ১৪ শতাংশ। নারীদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ঘটেছে শারীরিক নির্যাতন এবং শিশুদের মধ্যে যৌন নির্যাতন। যৌন নির্যাতনের ক্ষেত্রে ১৮ বছরের নিচে শিশুদের মধ্যে প্রতিদিন গড়ে ১ দশমিক ৭ জন শিশু ধর্ষণের শিকার।
এতে আরো বলা হয়, নির্যাতনের শিকার নারীদের ৩৯ শতাংশ মামলা বা আইনগত পদক্ষেপ নেয়ার জন্য প্রক্রিয়াধীন ছিল, মাত্র ২৬ শতাংশ কেইস ফাইল হয়েছিল এবং ৭ শতাংশ মামলা সালিশের মাধ্যমে মীমাংসা হয় এবং ২৮ শতাংশ কেইস কোনো আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।
অনুষ্ঠানে আরো বলা হয়, বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হলেও প্রথাগত সামাজিক মূল্যবোধ ও পরিবারের ‘সম্মান’, পুনরায় নির্যাতনের ভয়, উপযোগী পরিবেশ না পাওয়া ইত্যাদি কারণে নারীরা তা প্রকাশ করতে চান না। শুধু গুরুতর শারীরিক ও যৌন নির্যাতন ছাড়া অন্যান্য নির্যাতনগুলো প্রকাশিত হয় না। ফলে নির্যাতনের যে চিত্র পাওয়া যায় তা বাস্তব ঘটনার চেয়ে অনেক কম।
ব্র্যাকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গড়ে প্রতি মাসে ৬২৪টি, প্রতিদিন ২০ দশমিক ৫টি এবং প্রতিজেলায় মাসে ১১ দশমিক ৩৫টি নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। প্রায়ই এসব নির্যাতনের ঘটনা ঘটলেও পারিবারিক, সামাজিক ও মামলার দীর্ঘ সূত্রিতার কারণে অধিকাংশ নারী আইনি পদক্ষেপে যেতে চান না।
গোলটেবিল বৈঠকে বক্তাদের আলোচনা থেকে নারী নির্যাতন প্রতিরোধে যেসব চ্যালেঞ্জ উঠে আসে সেগুলো হলো: পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা, বিচারহীনতার সংস্কৃতি, নির্যাতন প্রতিরোধে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণে প্রশাসনিক সমন্বয়হীনতা, সরকারি- বেসরকারি সংস্থার সমন্বয়হীনতা, আইনের সঠিক প্রয়োগ না থাকা, মামলার দীর্ঘসূত্রিতা ইত্যাদি।
উৎস. মানবজমিন অনলাইন।

খবরের বাকি অংশ

অপসংস্কৃতির প্রসার ঘটায় সমাজে অন্যায়, অবিচার বেড়ে যাচ্ছে । তৈয়্যিবুর রহমান চৌধুরী

মাজেদ আহমদ :: অপসংস্কৃতির প্রসার ঘটায় সমাজে অন্যায়, অবিচার বেড়ে যাচ্ছে। অপসংস্কৃতি আমাদের শিশু ও যুবকদের বিপদগামী করছে। তাই সমাজে শুদ্ধ সাংস্কৃতিক চর্চার প্রসার ঘটাতে হবে। শুদ্ধ সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমেই সমাজ হতে অপসংস্কৃতি দূর করতে হবে।
নবোদয় সাহিত্য ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত কুরআন তেলাওয়াত, স্বাধীনতা শীর্ষক সেমিনার, সাহিত্য আলোচনা ও তারানা মাহফিলে প্রধান মেহমানের বক্তব্যেদক্ষিন সুনামগঝ্জের ভাইস চেয়ারম্যান নবোদয় উপদেষ্টা জনাব তৈয়্যিবুর রহমান চৌধুরী এ কথা বলেন।
গত বৃহস্পতিবার নগরীর দরগাহ গেইটস্থ শহীদ সোলেমান হলে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 
ফোরামের সভাপতি ফয়সাল জাকওয়ানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামিয়া দারুল উলূমের মুহতামিম জনাব আব্দুল মালিক চৌধুরী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, কেমুসাসের সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ বেলাল আহমদ চৌধুরী, জামেয়া দারুল কুরআন সিলেটের মুহাদ্দিস হাফিজ মাওলানা আশরাফ উদ্দীন চৌধুরী, শাহ ওয়ালীউল্লাহ মাদরাসার মুতামিম আলহাজ্ব হাফিজ মাওলানা রইছ উদ্দীন, ভাস্বর সম্পাদক আব্দুল গফুর প্রধান, নবীনকুড়ির’র সম্পাদক মাহবুব সালমান, ত্রৈমাসিক বৃক্ষ’র সম্পাদক আজমল আহমদ, সিলেট জর্জ কোর্টের ইন্টার্নি মুহাম্মদ রেজাউল হক। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্যানেল মেয়র রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, আজকের এই সন্ধ্যা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। সমাজের যুবকরা যখন অপসংস্কৃতির কবলে পড়ে বিপর্যস্থ তখন নবোদয় সাহিত্য ফোরাম সুষ্ঠু সাংস্কৃতিক চর্চা করছে। এরকম প্রসংশনীয় উদ্যোগ আরো বেশি করে নিতে হবে। অনুষ্ঠানে সাহিত্য আলোচকের বক্তব্য রাখেন দৈনিক সিলেটের ডাক’র সহকারী সাহিত্য সম্পাদক ফায়জুর রহমান, প্রাবন্ধিক সাদিকুর রহমান, পলিমাটি সম্পাদক বাশিরুল আমিন ও পিঁপড়ার সম্পাদক মিনহাজ ফয়সাল। উপস্থিত ছিলেন, লিটলম্যাগ চৌহাট্টা’র সম্পাদক নাওয়াজ মারজান, হুমু সারোজী, সরফরাজ হাদী। জামেয়া দারুল কুরআনের শিক্ষক মাওলানা নাজমুল ইসলাম, ছাত্রনেতা ফয়েজ আহমদ প্রমুখ। দেওয়ান মাহমুদ রাজা চেৌধুরী বলেন, সুস্থ সঙস্কৃতি চর্চায় আমাদেরকে নিবেদিত হতে হবে। সাহিত্য আলোচক দৈনিক সিলেটের ডাক’র সহকারী সাহিত্য সম্পাদক ফায়জুর রহমান বলেন, আমাদের বেশি করে ইসলামী ও আরবী সাহিত্য পাঠ করতে হবে। তাহলে আমরা নিজের সম্পর্কে জানতে পারবো। পলিমাটি সম্পাদক বাশিরুল আমিন বলেন, বাংলা সাহিত্যকে এ পর্যায়ে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে মুসলমান সাহিত্যিকদের অবদানকে বর্তমান মিডিয়া অস্বীকার করার চেষ্ঠা করছে। সেটা আমাদের প্রতিহত করতে হবে। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান।
ফোরামের সাধারণ সম্পাদক হুসাইন মুহাম্মদ ফাহিম ও আহমদ মাহফুজ আদনানের যৌথ পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সালমান আহমদ, আবরার আল মাহমুদ, ময়নুল তালুকদার, আরাফাত শামস, আব্দুল্লাহ হুসাইন, নাজমূল ইসলাম, আইয়ূব খান, রবিউল ইসলাম, রেজওয়ান আহমদ, শিব্বির আহমদ, সাদিক বিন তালিব, প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত কারী ২১ দিনে হাফিজ হয়ে রেকর্ড সৃষ্টিকারী শিশু হাফিজ মাসউদুর রহমানকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয় তেলাওয়াত করেন  হাফিজ নুরুল আমিন। সঙ্গীত পরিবেশন করেন, শালিন আহমদ, ইসহাক আলমগীর, আমানুলøাহ আমান, আনওয়ারুল করীম মুস্তাযাব, আরিব রব্বানী, আহমদ উসমান শিশু শিল্পী আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ সালেহ, মামুনুর রশীদসহ নবোদয়, জাগরণ, দিশারী, সুচারু, ফীল অনুপম সাংস্কৃতিক দলের শিল্পীবৃন্দ।

খবরের বাকি অংশ

Friday, 3 March 2017

ছাতকের ঘটনায় নিখোজ লাশ নদী থেকে উদ্ধার

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রনিনিধিঃ
ছাতক শহরে কওমী মাদ্রাসা ও ফুলতলি সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় প্রতিপক্ষের ধাওয়া খেয়ে প্রাণ বাচাঁতে সুরমা নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে নিখোঁজ হওয়া আহত রুবেল মিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় ঘটনাস্থল থেকে কয়েকশ’ গজ দূরে তার লাশ ভেসে উঠলে ছাতক থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করেন। সে উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের গনেশপুর গ্রামের আজাদ মিয়ার পূত্র।
প্রসঙ্গত, গত সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার জাউয়াবাজারে শানে রিসালত (ফুলতলি) সমর্থকদের ব্যানার টানানোতে বাঁধা দেওয়ার জের ধরে ছাতক শহরে কওমী ও ফুলতলি সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় শানে রিসালত (ফুলতলি) সমর্থক এক সেচ্চাসেবকলীগ নেতা নিহত ও গনেশপুর গ্রামের কওমীপন্থী এক যুবক নিখোঁজ এবং উভয় পক্ষের শতাধিক লোকজন আহত হয়। ঘটনার ৩দিন পর নিখোঁজ যুবকের লাশ সুরমা নদীতে ভেসে উঠে। 

খবরের বাকি অংশ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

facebbok