BDvairlnews: April 2017
,                              সদ্য সংবাদ:

tasnif media

tasnif media

Sunday, 30 April 2017

জমিয়তের জাতীয় ত্রান কমিটি গঠন

মাও জয়নুল আবেদিনঃ- জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি খলিফায়ে মাদানী আল্লামা আব্দুল মুমিন শায়খে ইমামবাড়ী বৃহত্তর সিলেট সহ দেশ ব্যাপী বন্যা কবলিত মানুষের পাশে দাড়ানোর জন্য ত্রান সংগ্রহ ও বিতরনের লক্ষ্যে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লাামা নূর হোছাইন কাসেমীকে আহবায়ক করে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি শক্তিশালী জাতীয় ত্রান কমিটি গঠন করেন। ত্রান কমিটির সদস্যরা হচ্ছেন: দলের সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী, সাংগঠানিক সম্পাদক মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, যুগ্ম মহাসচিব সাবেক সাংসদ এডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী, মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী মাওলানা বাহাউদ্দিন যাকারিয়া, মাওলানা তাফাজ্জুল হক আজীজ, সহকারী মহাসচিব ও সুনামগঞ্জ জেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুল বাছির, সহ-সাংগঠানিক সম্পাদক মাওলানা মতিউর রহমান গাজীপুরী, প্রচার সম্পাদক মাওলানা জয়নুল আবেদীন, যুব বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা শরফউদ্দিন ইয়াহইয়া কাসেমী, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক মুফতি নাছির উদ্দিন খাঁন কেন্দ্রীয় জমিয়তের সদস্য সুনামগঞ্জ জেলা সাধারন সম্পাদক মাওলানা আনোয়ারুল ইসলাম যুব জমিয়তের কেন্দ্রীয় সাধারন সম্পাদক মাওলানা গোলাম মাওলা।
আল্লামা আব্দুল মুমিন এ ত্রান কমিটির মাধ্যমে বা ব্যক্তিগত উদ্দ্যোগে দলীয় নেতা কর্মী সহ বিত্তবানদেরকে বানভাসী মানুষের পাশে দাড়াতে আহবান জানিয়েছেন।

খবরের বাকি অংশ

Thursday, 27 April 2017

যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন এবং উত্তর কোরিয়ার অংশগ্রহণে শুরু হচ্ছে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ

স্টাফ রিপোর্টঃ

জ্যোতিষী হোরাসিও ভিলেগা স্বঘোষিত ‘অতিপ্রাকৃতিক সত্তা’ দাবি করেছেন আগামী ১৩ মে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হবে।
ডোনাল্ড ট্রাম্পই যে পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের বেশ কয়েক দিন আগেই তা জানিয়েছিলেন হোরাসিও। এই খবর সামনে আসতেই প্রচারে আসেন এই জ্যোতিষী বলে জানায়, ব্রিটিশ সংবাদপত্র ডেইলি স্টার।
হোরাসিওর মতে, সিরিয়ায় রাসায়নিক হামলাকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এই যুদ্ধে পড়বে রাশিয়া, চীন এবং উত্তর কোরিয়া। এই যুদ্ধে ভয়ঙ্কর ক্ষতি ও প্রচুর মানুষের মৃত্যু হবে বলেও জানিয়েছেন হোরাসিও। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে বসবাসকারী ক্যাথলিক ধর্মাবলম্বি এই জ্যোতিষী বলেন, কয়েক দিন আগেই তিনি স্বপ্ন দেখেছেন যে, আকাশ থেকে আগুলের কুণ্ডলি পৃথিবীর ওপর আঘাত হানছে।
তিনি দাবি করেছেন, খুব শিগগিরই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হবে এবং সেটা হবে নাকি ট্রাম্পের কারণেই। এই মুহূর্তে সিরিয়া নিয়ে আমেরিকা ও রাশিয়ার মধ্যে একটা উত্তেজনা চলছে।
অন্যদিকে, উত্তর কোরিয়াও আমেরিকাকে হুশিয়ারি দিয়েছে, যে কোনো সময় যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত তারা। এমন একটা টানাপোড়েনের মধ্যে হোরাসিওর বার্তা শোরগোল ফেলে দিয়েছে। তার দাবি, সিরিয়াকে কেন্দ্র করেই শুরু হবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ। সেটা শুরু হবে একটা ‘মিথ্যা তথ্য’কে কেন্দ্র করে।

খবরের বাকি অংশ

কওমী দুর্গ : স্বীকৃতি বনাম সন্ধি

কওমী দুর্গ : স্বীকৃতি বনাম সন্ধি

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | 

আরিফুল ইসলামঃ-কওমী মাদ্রাসার সনদের স্বীকৃতির আন্দোলন কওমীদের দীর্ঘ দিনের একটি নাগরিক অধিকার আদায়ের আন্দোলন। শাসক শ্রেনী যখন নাগরিকদের কোন দাবি দাওয়া মেনে নেয় তখন তাদের নিজস্ব ভালোটা (রাজনীতি) তারা বিবেচনা করাটাই স্বাভাবিক। নাগরিক অধিকার আদায়ের নি:শর্ত লড়াইকে সন্ধি হিসাবে যারা বিবেচনা করছেন তাদের ভুল অচিরেই প্রকাশ পাবে ইন শা আল্লাহ।সন্ধি কখনো একতরফা হয় না। কওমী মাদ্রাসার সর্বজন শ্রদ্ধেয় অভিভাবক আল্লামা শাহ আহমদ শফী নিঃশর্ত ভাবে আদায় করেছেন কওমীর সনদের স্বীকৃতি। যখন কওমীর পক্ষ থেকে দাবি আদায়ে সরকারকে কোন ছাড়ই দেওয়া হয়নি, তখন কিভাবে এটিকে সন্ধি হিসাবে গন্য করা যেতে পারে ? বরং যেসব শক্তি মনে করেছিল কওমী মাদ্রাসা তাদের ছাড়া দূর্বল, তাদের চিন্তার শুদ্ধতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে গনভবনে আলিমদের উপস্থিতি।
সব সরকারই খেলেছে রাজনৈতিক খেলাগনতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনগনের মনোতুষ্টির মাধ্যমে শাসক তার ক্ষমতায় টিকে থাকার চিন্তা স্বাভাবিক একটি বিষয়। আর বাংলাদেশের রাজনীতিও এর ব্যতিক্রম নয়। বাংলাদেশের বড় দুটি রাজনৈতিক দলই ধর্মকে নিয়ে রাজনীতি করেছে। এই রাজনীতি করার মধ্যে হয়তো পরিমাপগত ও গুনগত পার্থক্য রয়েছে। কিন্তু উভয় দলই তাদের চেষ্টার সর্বোচ্চ করেছে। কেউ যেমন মনে করেছে যুদ্ধপরাধী বিচারকে ঝুলিয়ে রেখে রাজনীতি করবে ঠিক তেমনি অন্যরাও মনে করেছে সনদের স্বীকৃতি ঝুলিয়ে রাজনীতি করবেন। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছা বোঝা বান্দার পক্ষে অসাধ্য।তবুও এই ক্ষেত্রে ছোট্ট একটা বিষয় পাঠককে মনে করিয়ে দিতে চাই, শায়খুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক তৎকালীন বি এন পির জোট সরকারের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন যে, সনদের স্বীকৃতি নিয়ে টালবাহানা করলে তার চরম মাশুল দিতে হবে। আল্লাহওয়ালা লোকের কথা বাসি হলেও ফলে। বি এন পি সরকারের সেই টালবাহানার ফল আজ বি এন পি ভোগ করল। যে পরিস্থিতিতে আজ বি এন পিকে পড়তে হয়েছে তা কখনোই হত না, যদি সেই সময় বি এন পি সনদের স্বীকৃতির দ্রুত বাস্তবায়ন করত।
অবশ্য আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি সনদের স্বীকৃতি বি এন পি সরকারের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে শুরু হয়ে আওয়ামী সরকারের হাত দিয়ে শেষ হলে তার দ্বারা কওমী সনদ স্বীকৃতি অধিক ফলপ্রসুই হবে। কেননা বাম রাজনীতি ঘেষা আওয়ামিলীগের পক্ষ থেকে এই স্বীকৃতি নিয়ে প্রচন্ড একটা বিরোধিতা আসতে পারত। নিঃসন্দেহে আল্লাহই উত্তম কৌশলী।
যদিও হেফাজতের সাথে সরকারের কোনরূপ বৈঠকই হয়নি তবুও আমীরে হেফাজতের সাথেই কওমী মাদ্রাসার সনদের ইস্যুতে গনভবনে সর্বোচ্চ মর্যাদায় বৈঠক হওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়ে গেছে নানান হিসাব নিকাশ। এই হিসাব নিকাশে আওয়ামিলীগ যতটা চতুর ভূমিকা পালন করেছে বি এন পি ততটাই অসচেতন ভূমিকা পালন করেছে।
আওয়ামিলীগ এবং বি এন পি বাংলাদেশের বৃহত্তর দুটি রাজনৈতিক দল। উভয় দলের নেতাকর্মীদের মনে রাখতে হবে কওমী মাদ্রাসা কোন একক রাজনৈতিক দলের মিলনভূমি নয়। এখানে ভিন্ন মত এবং পথের রাজনৈতিক চিন্তার মানুষ রয়েছে। কিন্তু সবার চিন্তা একটি স্রোতে মিলিত হয়েছে আর তা হল ইসলাম বিদ্ধেষীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন। এখানে কোন রাজনৈতিক দল মূখ্য নয়। বরং তাদের (আওয়ামিলীগ ও বি এন পি ) উপর ভর করে ইসলাম বিদ্ধেষী শক্তি যে কার্যকালাপ চালিয়ে যায় তাকে দমন করাটাই কওমীয়ানদের জন্য মূখ্য বিষয়। ইসলাম বিদ্ধেষীদের অপতৎপরতা চলে আসছে স্বাধীন বাংলাদেশ জন্মের সূচনাকাল থেকেই। আর এর বিরুদ্ধে ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হয়েছিল কওমী অঙ্গনে। দীর্ঘকাল ধরে সেই চাপা ক্ষোভ কোন ব্যানারে একীভূত হতে পারে নি বলে সেই শক্তিকে রাজনৈতিক মহল দেখেনি। কিন্তু ২০১০ থেকে সেই শক্তি বিকশিত হয়ে ২০১৩ তে তা বিস্পোরিত হয় শাহবাগের আড়ালে চরম বামদের উত্থানের কারনে।
আল্লামা শাহ আহমেদ শফী কোন নতুন শক্তি গড়ে তোলেন নি বরং একীভূত করেছেন। কওমী ছাত্র শিক্ষকদের এই শক্তিকে তার সুদক্ষ নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ করেছেন। তাই আমরা সুস্পষ্টরূপে বলতে পারি এই শক্তি কোন রাজনৈতিক দলের ক্রীড়নক হিসাবে কখনোই ভূমিকা পালন করবে না। বরং এই শক্তির ভিত্তিই হল শাসকের অন্যায়ের বিরুদ্ধে, ইসলাম বিদ্ধেষী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে সীসাঢালা প্রাচীরের ন্যায় অটল থেকে আপোষহীন লড়াই চালিয়ে যাওয়া।
ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় কওমী কেল্লা
হেফাজতের এই লড়াই ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লড়াই। ইসলামের সৌধকে সুউচ্চ রাখার লড়াই। আর কওমী মাদ্রাসার সনদের লড়াইও ইনসাফের লড়াই। আজ যারা এই কওমী মাদ্রাসার ছাত্রদের এই নাগরিক সুবিধা আদায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে হেফাজতের আন্দোলনে নিহত শহীদের সাথে গাদ্দারীর প্রশ্ন তুলছেন তাদের কাছে সবিনয়ে জানতে চাই, আপনাদেরও তো অজস্র নেতা কর্মী গুম খুন হয়েছেন, আহত নিহত হয়েছেন, আপনারা কি আপনাদের কোন সার্টিফিকেট সরকার থেকে নেওয়া বন্ধ রেখেছেন ? কখনো বলেছেন যে এই খুনী সরকারের হাত থেকে আমরা কোন রকম রাষ্ট্রীয় সুযোগ সুবিধা গ্রহন করব না, সরকারের অধীনে আমাদের কোন লোক চাকুরী করবে না, বলেছেন ???
আলিম উলামাদের নিগ্রহের ইতিহাস তো সুপ্রাচীন। এটা নিয়ে আমাদের আক্ষেপ নেই। কিন্তু আক্ষেপ তখন হয় যখন দেখি বন্ধুবেশী মানুষগুলো লক্ষ লক্ষ ছাত্রের ইনসাফ প্রাপ্তিতে আনন্দিত না হয়ে ব্যথিত হয়। তাহলে কোন ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্য আপনারা লড়াই করছেন ? শুধু মাত্র সরকারের পতন দ্বারাই ইনসাফ কায়েম হবে এমন নিশ্চয়তা কে দিতে পারে ? যে সার্টিফিকেট নিতে আপনাদের একটি দিনের জন্যও বাধেনি সেই সার্টিফিকেট নিঃশর্ত ভাবে যদি একজন আল্লামা শফী এনে দেন লক্ষ লক্ষ ছাত্রের কাছে, তবে আপনাদের তো খুশি হওয়ার কথা। কারন মানুষের অধিকার আদায়ের জন্যই তো আপনার লড়াই বলে ঘোষনা দিয়েছেন বারংবার।
মনে রাখবেন, আল্লামা শফীর যদি কেবল গণভবনে বসার বাসনা থাকতো, তবে তিনি বহু আগেই বসতে পারতেন।
আল্লাহ যাকে সম্মানিত করার ইচ্ছা করেন তাকে অপদস্থ করার ক্ষমতা কারুরই নেই। আল্লামা শফী সহ কওমী আলিমদের এই সম্মান সেই অজস্র শহীদের বিজয়ের বারতা। যাকে এই প্রধানমন্ত্রী সহ তার মন্ত্রীপরিষদ অপদস্থ করতে চেয়েছিলেন তাকেই আবার সম্মানিত করে মূলত শহীদদের রক্তকেই আল্লাহ সম্মানিত করেছেন। এবং একথা প্রমানিত হয়েছে যে শহীদের রক্ত বৃথা যায় না। এই শহীদদের রক্ত কওমী মাদ্রাসার নিঃশর্ত স্বীকৃতির পথ তৈরি করে কওমী মাদ্রাসাকে রক্ষা করেছে সেই সব জালিমদের হাত থেকে যারা কওমী মাদ্রাসাকে স্বীকৃতির আড়ালে নানা শর্তের বেড়াজালে বন্দী করে ধংস করতে চেয়েছিল।
ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তির উপায়
ফ্যসিবাদ ও ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রব্যবস্থাকে কিভাবে ধংস করা হবে ? কী তার তরিকা ? আওয়ামী সরকারের বিপুল ভোট ব্যাংক যদি আপনি অস্বীকার না করেন তবে আমি নিঃসন্দেহে বলতে পারি, যেই ফ্যাসিষ্ট সরকারের পিছনে দাড়িয়ে আছে কোটি কোটি মানুষরে সমর্থন সেই সরকারের পতনের পর আরেকটি ফ্যসিস্ট সরকার কায়েম হতে বাধ্য। বরং ফ্যসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে দাড়িয়ে যেভাবে হেফাজত একটার পর একটা দাবি আদায় করেছে তার প্রশংসা না করে আপনি উদারনৈতকি রাষ্ট্র ব্যবস্থা কিছুতেই কায়েম করতে পারবেন না। আপনি বিন্দু বিন্দু জলকে অস্বীকার করে যেমন সাগরের কল্পনা করতে পারেন না তেমনি ইনসাফের আন্দোলনের এই পর্যায়গুলোকে অস্বীকার করে ইনসাফ ভিত্তিক উদারনৈতিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা কায়েম করতে পারবেন না।
ফ্যসিস্ট মনোবৃত্তির বিরুদ্ধে যদি আপনি একটি ফ্যসিস্ট গোষ্ঠীকে দাড় করিয়ে দেন তবে সরকার পরিবর্তন হতে পারে কিন্তু রাষ্ট্র ব্যবস্থায় ফ্যাসিজমের কোন পরিবর্তন হবে না। এই যে বাংলাদেশের বৃহত্তর দুটি রাজনৈতিক গোষ্ঠী, তারা কেউই কিন্তু ফ্যসিবাদী চরিত্রের বাইরে না। তাই রাষ্ট্রে একটি অবহেলিত শ্রেনীকে প্রতিষ্ঠার আন্দোলনই এখানে মূল বিষয়, সেটা যে কোন সরকারের কাছ থেকেই হোক না কেন। দুই ফ্যসিস্ট রাজনৈতিক দলের কোন একটির পক্ষালম্বন বা বিরোধিতা করে যতটুকু ইনসাফ কায়েম হতে পারে, তার চেয়ে বহুগুনে বেশী ইনসাফ কায়েম অবহেলিত কোন শ্রেনীকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি আদায়ের মধ্য দিয়ে হতে পারে।
দুটোর রূপ ভিন্ন কিন্তু মূল এক
ধর্মকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার আর ধর্মের জন্য রাজনৈতিক কার্ডগুলো সঠিক ভাবে পরিচালনার মধ্যে পার্থক্য আমাদের বুঝতে হবে। এই দুটো বিষয়কে এক করে ফেলা ধর্মকে রাষ্ট্র ব্যবস্থা হতে দূরে রাখার প্রচেষ্টার নামান্তর। আর বাহ্যিক ব্যবহারিকভাবে রাজনীতি তো রাজনীতিই । দেখার বিষয় হল কে নৈতিকতা প্রতিষ্ঠায় তার প্রয়োগ করে আর কে অবৈধ ক্ষমতা চর্চার জন্য। রাজনীতির ব্যবহারিক অর্থ যদি হয় রাজনৈতিক ক্ষমতা তৈরির জন্য সামাজে শক্তির ভারসাম্য বদলানেরা কারিগরি, তবে অরাজনৈতিক সংগঠন হিসাবে কওমী মাদ্রাসা কিংবা হেফাজত ফ্যসিষ্ট রাজনৈতিক গ্রুপগুলোকে মোক্ষাম চপেটাঘাত শাপলায় যেমন করেছে ,গনভবনেও তেমনি করেছে। দুটোর রূপ হয়তো আলাদা কিন্তু মূল একই । আর তাই হেফাজতের আমীরের সমস্ত দাবি মেনে নিঃশর্ত ভাবে গনভবন থেকে অবহেলিত শ্রেনীর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি আদায় সকল দিক থেকেই বিজয়। আজ হাসিনা এবং তার সহচরদের মুখ থেকে হেফাজতের নেতাদের বিষয়ে স্তুতি প্রমান করে যে শাপলায় আওয়ামিলীগ মূলত পরাজিত হয়েছিল। তাই যারা আর ঢাকায় প্রবেশ করার কথা না, তারা গনভবনে প্রবেশ করল।
এই বিজয় নিয়ে দুটো শ্রেনী প্রশ্ন তুলছেন । প্রথম শ্রেনী যারা সত্যিকার অর্থে হেফাজতকে ভালবাসে, কওমী মাদ্রাসাকে ভালবাসে। আমরা তাদের ভালবাসার মূল্যায়ন করি । এবং যে সংশয় তারা প্রকাশ করছেন আগামী দিনের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে, তার সাথে আমরা একমত। কারন যে কোন পদক্ষেপের বিপরীতি ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া তো আছেই। কিন্তু একজন দক্ষ সমাজনেতা দুটো অপশনের সেটিই গ্রহন করেন যেটি অধিক কল্যানকর।
কিন্তু এক্ষেত্রে দ্বিতীয় শ্রেনীর পাল্লাই মূলত ভারী। তারা হেফাজত আমীরের বিরোধিতা করছেন মূলত নিজেদের হীন স্বার্থে। তারা হেফাজত তথা কওমীকে ভালবাসার একটা ছল চাতুরী করছিল নিজেদের ক্ষমতার সোপান হিসাবে ব্যবহারের জন্য। কিন্তু সেই লক্ষ্যে তারা যখন নিজেদের ব্যর্থ মনে করলেন, তখনই তাদের আসল চরিত্র প্রকাশ পেল। অথচ হেফাজতের সুস্পষ্ট ঘোষনা ছিল যে , কাউকে ক্ষমতা থেকে নামানো অথবা কাউকে ক্ষমতায় নিয়ে যাওয়া হেফাজতের লক্ষ্য নয়।
প্রশ্ন হতে পারে কেন নয় ? উত্তরটা খুব সোজা, যা আগেও দিয়েছি। বাংলাদেশে এখনো এমন কোন দল বা শ্রেনী গড়ে ওঠেনি যারা ক্ষমতায় গেলে আমরা আশা করতে পারি যে রাষ্ট্রীয় অনাচার, ফ্যাসিজম, জুলুম, লুটতরাজ বন্ধ হবে। কিংবা সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী প্রবল কোন রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম হবে।
রূহের প্রয়োজন দেহ নামক একটি কাঠামো
কওমী মাদ্রাসা জনগনের স্বীকৃতি , মহব্বত সাথে নিয়ে অতীতে চলেছে, সামনেও চলবে। জনগনের সাথে কওমী মাদ্রাসার এই সম্পর্ক নিয়ে রাজনীতিবিদরা রাজনীতি করবেন এটা অত্যন্ত স্বাভাবিক। কিন্তু জনগন যেমন রাষ্ট্র কাঠামোর বাইরে চলে না, ঠিক তেমনি কওমী মাদ্রাসাকেও রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন বিষয়ের মুকাবিলা করতে হয়। রাষ্ট্রের নিজস্ব কোন অর্থ থাকে না। রাষ্ট্রের অর্থ মূলত জনগনেরই অর্থ। সেই অর্থ দিয়ে এমন সব প্রতিষ্ঠান হচ্ছে যেখানে নীতি নৈতিকতা প্রচারে কওমী মাদ্রাসার আলিমগন পৌছা জরূরী। যেমন রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় গড়ে ওঠা মসজিদ, মাদ্রাসা, সাধারন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এগুলোতে প্রবেশের পথ কি ? এগুলো যে ফ্যসিষ্ট মনোবৃত্তির অধীনে দাস টাইপের জনগন তৈরি করছে, তাদের দাসত্বের মনোবৃত্তি থেকে বের করে আনার জন্য কি সেখানে একজন আল্লাহভীরু স্বাধীনচেতা আলিম জরূরী নয় কি ? এটাক শুধু চাকুরীর অর্থে দেখানোর চেষ্টা করা নির্বুদ্ধিতা ছাড়া কিছু নয়। মনে রাখতে হবে শরীর নামক কাঠামোর মধ্যেই রূহ চলে। সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন থেকে সমাজকে পরিবর্তন করা যায় না।
আর তাই বৃহত্তর কওমী ছাত্র সমাজ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চায়। তারা রাষ্ট্রীয় ঐ সকল ক্ষেত্রে প্রবেশ করতে চায় যেখানে প্রবেশ করে তারা সমাজকে সুস্থ পথে রাখার জন্য কাজ করতে পারবে। আর যারা চায় না তাদের পরিমান অত্যন্ত নগন্য। তাই সমস্ত কিছু বিবেচনা না করে , যারা আলিমদের রূহানিয়্যাত নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তারা অর্বাচীনের ন্যায় আচার প্রদর্শন করছেন মাত্র।
মানুষের মধ্যে সুপ্ত পরমার্থিক গুণাবলিকে বিকশিত করাই যখন শিক্ষার প্রথম উদ্দেশ্য আর কওমি মাদ্রাসা যখন সেই সুনির্দিষ্ট কাজটি করে তখন পরমার্থিক গুনাবলি বিকশিত করার কাঠামো গুলোতে প্রবেশ ভিন্ন উপায় কি ? আল্লাহ তা’আলা দেহের মধ্যেই রূহকে ফুকেছেন। তাই রাষ্ট্র পরমার্থ বিকাশের যেসব কাঠামো তৈরি করছে সেই কাঠামো থেকে দূরে থেকে সমাজের সুস্থ বিকাশ কল্পনাই করা যায় না।
প্রয়োজন প্রবেশের উন্মুক্ত দ্বার
ইটের দেওয়ালের ভিতরই যখন মানুষ বাস করে, তখন সেখানে প্রবেশ করতে একটা দরজা চাই। আর সেই দরজাটা হল কওমী মাদ্রাসার সনদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি। আর এই কারনেই আজ ঐসব শ্রেনী ক্ষেপেছে যারা মানুষকে মানুষের দাসত্বের দেওয়ালে বন্দী রাখতে চায়। সত্যি বাংলাদেশের সেক্যুলারদের জন্য দুঃসংবাদ।
তাই আমি পরিষ্কার বলতে চাই, এই সার্টিফিকে দুনিয়াবী হলেও এর লক্ষ্য দুনিয়াবী উপার্জন নয় । বরং ঐসব ঘরে প্রবেশের অনুমতি যাতে মানুষকে আবদ্ধ করে মানুষেরই দাসত্বের শিক্ষা দেয়া হয়। তাই আশা করি কেউ এটাকে ইবলিশি তর্কে পরিনত করার অপপ্রয়াস চালাবেন না।
আত্মসমালোচনা ভালো। কিন্তু কেউ যদি আত্মসমালোচনার স্টাইলে বিরোধী শিবিরের হাতে অস্ত্র তুলে দেন তবে তাকে আমরা কেবল অর্বাচীন বলেই ক্ষান্ত দিতে পারি না। বরং পাল্টা বয়ান জরুরী। আমাদের মূল লক্ষ্য উদ্দেশ্য স্পষ্ট করা জরূরী। এবং সেই সাথে এই কথাও বলব যারা কওমী মাদ্রাসার সনদের স্বীকৃতিকে “সন্ধি” বলছেন তারা নৈতিকভাবে ফ্যাসিষ্ট শাসক গোষ্ঠী থেকে যে কোন নাগরিক দাবি আদায়কে “সন্ধি” বলতে বাধ্য থাকবেন। আছে কি আপনাদের সেই হিম্মত ?
সর্বশেষ বেফাকুল মাদারিসীন বাংলাদেশের মুফতি বোর্ডের সম্মানীত সদস্য মুফতি হাবিবুর রহমান কাছেমীর একটি বক্তব্য পেশ করব ।তিনি বলেছেন “আমাদের কাছে সনদের চেয়ে আদর্শ বড় ।” অতএব অপপ্রচারকারীর অপপ্রচার অচিরেই নিঃশেষিত হবে ইন শা আল্লাহ।

খবরের বাকি অংশ

আগামী সংসদে নারী আসন থাকছে না’

আগামী সংসদে নারী আসন থাকছে না’

অনলাইন ডেস্ক | ২৭ এপ্রিল ২০১৭, বৃহস্পতিবার, ১০:৫৬
‘আগামী সংসদে নারী আসন থাকছে না’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দৈনিক ইত্তেফাক। প্রতিবেদনে বলা হয়, এখনই সংবিধান সংশোধন না করলে বর্তমান সংসদের পর সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন আর থাকছে না। সংবিধান সংশোধন করতে হলে সংসদের মোট সংসদ সদস্যের দুই তৃতীয়াংশের সমর্থন প্রয়োজন। ফলে একাদশ সংসদে সরকারি দলের দুই তৃতীয়াংশ সদস্য না থাকলে কিংবা বিরোধী দলের সমর্থন না পেলে নারী আসন পুনরায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে না।

‘অতিরিক্ত মূল্যে চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয়: শতকোটি টাকা লুটের শঙ্কা’ শিরোনামে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দৈনিক যুগান্তর। প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের বিভিন্ন হাসপাতালের জন্য অতিরিক্ত মূল্যে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। এতে শতকোটি টাকা সরকারের গচ্চা যাবে। যার পুরোটাই লুটপাট হবে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের। শুধু তাই নয়, এসব সরঞ্জামের অনেকই এ মুহূর্তে তেমন কোনো প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা নিয়োগে অনিয়ম নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দৈনিক প্রথম আলো। ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়: ‘বিশেষ কর্মকর্তা’ পদে ছাত্রলীগের ১২ জন’ শিরোনামের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বিশেষ কর্মকর্তার’ পদ তৈরি করে এবং নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই ছাত্রলীগের ১২ জন নেতাকে নিয়োগ দিয়েছেন উপাচার্য মীজানুর রহমান। তাঁদের মধ্যে দুজন সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা, অন্যরা এই বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতা-কর্মী।

জানতে চাইলে উপাচার্য মীজানুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের চাকরি দিতে আমি বাধ্য। নিয়োগপ্রাপ্ত ওই ১২ জন কঠোর পরিশ্রমী নেতা-কর্মী ছিলেন। এর মধ্যে দুজন গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার বাসিন্দা। এটাই তাঁদের সবচেয়ে বড় পরিচয়।’ তাহলে সাধারণ প্রার্থীদের কী হবে-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ ছাত্র বা চাকরিপ্রার্থী বলতে কিছু নেই। এখানে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরাই চাকরি পাবেন। এটাই তাঁদের বিশেষ যোগ্যতা।

খবরের বাকি অংশ

Wednesday, 26 April 2017

বরিশাল ও নোয়াখালীর মানুষদের ঢাকায় আসতে পাসপোর্ট লাগবে

বরিশাল ও নোয়াখালীর মানুষদের ঢাকায় আসতে পাসপোর্ট লাগবে


তাই নতুন নীতিমালা অনুযায়ী ঐসব এলাকার মানুষদের ঢাকায় আসতে হলে উত্তম চারিত্রিক গুণাবলীর অধিকারী হতে হবে। আর সেই সাথে লাগবে পাসপোর্ট ও ভিসাও। এরই মধ্যে চালু হয়ে গেছে পাসপোর্ট ও ভিসা লাগানোর কাজ। ঢাকাকে সুন্দর রাখতে বরিশাল ও নোয়াখালী এলাকার মানুষ তাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন পশ্চিম ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জনাব আবুল হায়াত।তিনি আরও বলেন, এই সমস্ত লোকের কারণে ঢাকা আজ ঝূকিপূর্ণ শহরের তালিকায় এসেছে।

খবরের বাকি অংশ

৩০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুনামগঞ্জ আসছেন

স্টাফ রিপোর্টার:: আওয়ামীলীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩০ এপ্রিল রোববার সুনামগঞ্জে আসছেন। হাওরের দুর্গত মানুষের দুঃখ দুর্দশা থেকে হাওরবাসীর পাশে দাঁড়াতে তিনি সুনামগঞ্জ আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। । সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক ব্যারিষ্টার এম এনামুল কবির ইমন জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩০ এপ্রিল সুনামগঞ্জ আসার দিনক্ষ ঠিক হয়েছে।
সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সুনামগঞ্জের হাওরবাসীর কথা জানিয়েছি। তিনি আমাদেরকে হাওরবাসীর পাশে দাঁড়াতে নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া তিনি নিজেই সুনামগঞ্জ আসার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। আমি রাষ্ট্রীয়কাজে আজ থাইল্যান্ড যাচ্ছি। তাই প্রধানমন্ত্রীর সুনামগঞ্জ সফরের থাকতে হয়তো পারব না।

খবরের বাকি অংশ

দেশের প্রতি জেলা, উপজেলায় ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণ করা হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ- দেশের প্রতি জেলা, উপজেলায় ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে।
প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে ৫শ’ ৬০ টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন সহ ২০ হাজার ৪শ’ ২ কোটি টাকার ১৩ টি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি একনেক।
এরমধ্যে সবচেয়ে বড় প্রকল্পটিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ হাজার ৬২ কোটি টাকা, অন্যান্য প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে ৩ হাজার ৩শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে পটুয়াখালীর পায়রা থেকে গোপালগঞ্জ ৪শ’ কেভি সঞ্চালন লাইন ও গোপালগঞ্জে ৪শ’ কেভি গ্রীড উপকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প, কর্ণফুলী নদীর তীর বরাবর কালুরঘাট সেতু থেকে চাক্তাই খাল পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ প্রকল্প ও ১২ টি জেলায় হাইটেক পার্ক স্থাপন প্রকল্প।

সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারর সভাপতিত্বে রাজধানীর শেরে বাংলানগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রকল্প গুলোর অনুমোদন দেয়া হয়।

খবরের বাকি অংশ

Monday, 24 April 2017

কবি মুহিব খানের "ইঞ্চি ইঞ্চি মাটি" জাতীয় সংগীত করা হোক।




 কবি মুহিব খানের "ইঞ্চি ইঞ্চি মাটি" জাতীয় সংগীত করা হোক।
...................মাওলানা আঃ জব্বার জাহানাবাদী রহঃ।
নিজস্ব প্রতিবেদক:বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলোদেশের সাবেক মহাসচীবঃ
মাওলানা আব্দুল জব্বার জাহানাবাদীর এক সাক্ষাৎকার বলেছিলেন
জাতীয় পতাকায় আমাদের কোনই আপত্তি নেই, তবে বাংলাদেশের জন্মের বহু আগে রবি ঠাকুরের লেখা বর্তমানের জাতীয় সংগীতের কথা ভাব অর্থ ও উদ্দেশ্যের বিষয়ে আলেমদের আপত্তি আছে, রাজনৈতিক তত্ত্বের পাশাপাশি কিছু ধর্মীয় প্রতিবন্ধকতাও আছে। এটি আমরা ছাত্রদের চর্চা করাতে চাই না।
আমাদের জন্য বিকল্প আরেকটি জাতীয় সংগীত নির্ধারণ করে দেওয়া হোক, দেশের গান গাইতে আমাদের কোনই আপত্তি নেই। আর সে গানটি হতে পারে আমাদের কওমিরই কৃতিসন্তান, জনপ্রিয় আলেম কবি মুহিব খানের 'ইঞ্চি ইঞ্চি মাটি'। এ গানে স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, জাতীয় ঐক্য, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও দেশ রক্ষার প্রত্যয় সমন্বিত রয়েছে এবং গানটি শুধু আলেম সমাজ নয়, মিডিয়ার কল্যাণে সর্বসাধারণের কাছেও ব্যাপক পরিচিত ও জনপ্রিয়। আমাদের জন্য এটিকে বিকল্প জাতীয় সংগীত করে দেওয়া হোক। আমরা প্রাণ খুলে গাইবো।
বিশ্বের আরও কিছু দেশে একাধিক জাতীয় সংগীতের নজীর আছে। ভারতেও দু'টি, রবি ঠাকুরের- ' ভারত ভাগ্য বিধাতা' এবং আল্লামা ইকবালের-'সারে জাহাঁ সে আচ্ছা, হিন্দুস্তাঁ হামারা'। তাই স্বীকৃতি বাস্ববায়নের পাশাপাশি আমাদের জন্য এই গানটি জাতীয় সংগিত করে দেয়ার জোড় দাবী জানান কওমী আলেম এবং ছাত্রবৃন্দ।

খবরের বাকি অংশ

Sunday, 23 April 2017

নবোদয় সভাপতি ফয়সাল জাকওয়ান সংবর্ধিত


নিজস্ব প্রতিবেদক:সিলেটের জনপ্রিয় সাহিত্য সংগঠন নবোদয় সাহিত্য ফোরাম এর সভাপতি,ত্রৈমাসিক নবোদয় সম্পাদক,ছাত্র জমিয়ত এর সহকারী প্রশিক্ষণ সম্পাদক ফয়সাল জাকওয়ান কে আজ সিলেটর  ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপিট জামিয়া ক্বাসিমুল ঊলূম দরগাহ এর ১৪৩৮ হিজরী সেসনে তাকমীল ফিল হাদিস -মাষ্টার্স  সমাপন করায় জামেয়ার ফজিলত ২য় বর্ষের  ছাত্র কতৃক আয়োজিত সংবর্ধণা অনুষ্টানে তাকে সংবর্ধণা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়,২৩ এপ্রিল রোজ রবিবার বেলা দুইটায় অনুষ্টিত এ অনুষ্টানে উপস্থিত জামিয়ার শিক্ষা সচিব আতাউল হক্ব জালালাবাদী ,সিনিয়র মুহাদ্দিস আল্লামা ছালেস আহমদ জকিগঞ্জী ,জনাঈদ কিয়ামপুরী সহ জামেয়ার সকল ছাত্রবৃন্দ,অনুষ্টানে তিনি বলেন আজ আমরা শিক্ষা জীবন থেকে ফারিগ হয়ে গুরু দায়িত্ব কাদে নিচ্ছিি আমাদের কে এখন দেশের প্রত্যেক অঙ্গনে কাজ করতে হব,উল্লেখ্য  এ অনুৃষ্টানে বিদায়ী সবাইকেই সংবর্ধণা ক্রেস্ট দেয়া হয়।

খবরের বাকি অংশ

Thursday, 20 April 2017

নাস্তিকদের জন্য আমার চোখের ইশারাই যথেষ্ট: শামীম ওসমান


নারায়ণগঞ্জ: মেধাবী ছাত্র নিহত ত্বকীর বাবা রফিউর রাব্বির বিরুদ্ধে হেফাজত নেতার মামলা দায়েরের পর এবার রাব্বির বিরুদ্ধে মাঠে নামার ঘোষণা দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি আওয়ামী লীগ নেতা শামীম ওসমান।

বুধবার বিকেলে শহরের মাসদাইরের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের এক মতবিনিময় সভায় শামীম ওসমান এ ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, রাব্বির মতো নাস্তিকদের জন্য আমার চোখের ইশারাই যথেষ্ট। কিন্তু আমি নারায়ণগঞ্জে একটি নজির স্থাপন করতে চাই। যারা ধর্মের নামে কটূক্তি করে তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে নিয়ে আমি এক মঞ্চে প্রতিবাদ করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, আজকে আমি সবাইকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলতে চাই এ নারায়ণগঞ্জে কেউ যদি ইসলাম ধর্মকে নিয়ে কটূক্তি করে তবে তার আর কোনো ছাড় নেই। শুধু নারায়ণগঞ্জ নয়, দেশের কোথাও এটা হতে দেয়া হবে না। আবার যদি কেউ এরকম দুঃসাহস দেখায় তবে ওমরের মতো তরবারি নিয়ে মাথা থেকে গলাটা আলাদা করে দেয়া হবে।

শহরের প্রাণকেন্দ্র শহীদ মিনারে দাঁড়িয়ে রফিউর রাব্বি বিসমিল্লাহ নিয়ে কটূক্তি করেছেন এমন অভিযোগ তোলা হয়েছে। আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের হেফাজত ইসলাম নেতা মাওলানা ফেরদৌসুর রহমান বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

এছাড়া আগামী শুক্রবার রাব্বির বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জে হেফাজত প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজনের ডাক দেয়া হয়েছে। আর ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার রাব্বি বিরুদ্ধে মাঠে নামার ঘোষণা দিয়ে সব এলাকায় মতবিনিময় সভা করছেন শামীম ওসমান।

প্রথমে মঙ্গলবার তিনি সিদ্ধিরগঞ্জে মতবিনিময় সভা করেন যাতে শুক্রবারের রাব্বির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভাটি বিশাল সমাবেশে রূপ নেয়। আর বুধবার শামীম ওসমান মাসদাইর কেন্দ্রীয় মসজিদে মতবিনিময় করেন এবং বন্দরে যান মতবিনিময় করেন।

এ সময় তিনি বলেন, আমি ছোট বেলা থেকেই দেখে আসছি আমার মা, বাবা, ভাই, বন্ধু বান্ধব সবাই কোনো কাজ শুরু করার আগেই বিসমিল্লাহ বলে শুরু করেন। আজকে সেই বিসমিল্লাহ নিয়ে রাব্বি কথা বললো এবং বলা হলো সংবিধানে বিসমিল্লাহ থাকবে জানলে নাকি মুক্তিযুদ্ধে কেউ শহীদ হতো না। আমার ধর্মকে নিয়ে এমন কথা, অবশ্যই আর কেউ প্রতিবাদ না করলেও আমি একাই এর প্রতিবাদ করবো। কারণ আমার এখানে দায় আছে, আমি আপনাদের সংসদ সদস্য। মৃত্যু পর আমাকে আমার আল্লাহ জিজ্ঞাসা করলে তখন আমাকে জবাব দিতে হবে। এ জন্যই আমি তাদের বিরুদ্ধে লড়ে যাবো

খবরের বাকি অংশ

Wednesday, 19 April 2017

আজান পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সুর: সংগীত শিল্পি- পিন্টু ঘোষ

সোমবার সকালে টুইটারে "আজান নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্কের ঝড় তুলেছেন ভারতের সংগীত শিল্পি সনু নিগাম। আর এই বিতর্কের প্রতিবাদে গীতিকবি-সুরকার প্রিন্স মাহমুদের পর এবার সনু নিগামকে একহাত নিলেন সংগীতশিল্পী পিন্টু ঘোষ।
মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) ফেসবুকে চিরকুট ব্যান্ডের প্রাক্তন এই সদস্য তার এক স্ট্যাটাসে সনু নিগামকে নিয়ে তার বিরক্তির কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি আজান নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথাও শেয়ার করেন তিনি।
সব গানে কান্নাকাটি করা ‘সনু নিগাম’ এর গান আমার (ব্যক্তিগত) কোনোদিনও ভালো লাগে নাই, কই কোনোদিন বলি নাই..!!!?? সম্মান করতাম, কিন্তু আজ তাও হারালেন, গো টু হেল।
‘আজান’ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সুর’ জীবনে বহুবার এই মিষ্টি সুরে আত্মা কেঁপে উঠেছে। আজানের ধ্বনি শুনলে বাকি সব আওয়াজ কেওয়াজ বন্ধ করে দিই সম্মান করি, ভালোবাসি। আমার কাছে যারা ভোকাল এর ক্লাস নিতে আসে তাদের প্রথম হোম ওয়ার্ক ( খালি গলায় আজান আর আমার জাতীয় সংগীত) তারপর অন্য আলাপ। জানিনা কে কি ভাবে নিবেন, আমি নিজেও আজান গলায় তোলার চেষ্টা করি, কারন আমি বিশ্বাস করি পৃথিবীর তাবত সুর এর মধ্যে বিদ্যমান তার নাম ‘আজান’।

খবরের বাকি অংশ

Sunday, 16 April 2017

১৫ ই মে সম্মিলিত কওমী বোর্ডের অধিনে দাওরাহ/মাষ্টার্স পরীক্ষা

কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডগুলো এ
বছর থেকেই অভিন্ন প্রশ্নে তাকমিল জামাতের
পরীক্ষা নিবে। আজ হাটহাজারি মাদরাসায় অনুষ্ঠিত
স্বীকৃতি বাস্তবায়ন কমিটির প্রথম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত
নেয়া হয়। বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়ার যুগ্ম-মহাসচিব
মাওলানা মাহফুজুল হক আওয়ার ইসলাম টুয়েন্টিফোর
ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পরীক্ষা শুরু হবে ১৫ মে এবং শেষ হবে ২৫।
অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা নেয়ার জন্য সরকার
স্বীকৃত ছয় বোর্ডের ১১ জন প্রতিনিধির
সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে ‘পরীক্ষা কমিটি’। কমিটির
প্রধান বা নাজেমে ইমতেহান নির্বাচিত হয়েছেন
বেফাকুল মাদারিসিল কওমিয়া , গহরডাঙ্গা বোর্ডের
মাওলানা শামসুল হক। তবে নবগঠিত কমিটি শুধু এ বছরই
দায়িত্ব পালন করবে।
আজ হাটহাজারিতে স্বীকৃতি বাস্তবায়ন কমিটির
চেয়ারম্যান আল্লামা আহমদ শফী এর সভাপতিত্বে
কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের শুরুতে
স্বীকৃতি লাভের জন্য মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায়
করা হয়। সাথে সাথে স্বীকৃতি প্রদানের জন্য
মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ
সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের আনুষ্ঠানিক কৃতজ্ঞতাও
প্রকাশ করা হয়।
বৈঠকে স্বীকৃতি বাস্তবায়ন কমিটি মৌলিক দুটি সিন্ধান্ত
নিয়েছেন বলে জানা যায়। তাহলো, পরীক্ষাগ্রহণ
ও সনদ ইস্যু করার লক্ষ্যে ‘আলহাইআতুল উলয়া
লিলজামিয়াতিল কাওমিয়্যা বাংলাদেশ’ নামে ছয়
বোর্ডের সমন্বয় করা হবে।
কওমি সনদের স্বীকৃতি বাতিলে সুন্নী
জামাতের কর্মসূচি ঘোষণা
দ্বিতীয়ত এবছর থেকেই ছয় বোর্ড সম্মিলিত
পরীক্ষা গ্রহণ করবে। পরীক্ষা শুরু হবে ১৫ মে
এবং শেষ হবে ২৫ মে। পরীক্ষা গ্রহণের জন্য
১১ সদস্যের একটি পরীক্ষা কমিটি গঠন করা হয়।
ছয় বোর্ড হলো, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া
বাংলাদেশের (বেফাক), গোপালগঞ্জের
বেফাকুল মাদারিসিল কওমিয়া, গওহরডাঙ্গা; আঞ্জুমানে
ইত্তেহাদুল মাদারিসিল কওমিয়া, চট্টগ্রাম; আযাদ দ্বীনি
এদারা বোর্ড; তানজিমুল মাদারিসিল কওমিয়া এবং জাতীয়
দ্বীনি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, আল্লামা আহমদ শফী,
আল্লামা আশরাফ আলী, আল্লামা নূর হোসাইন
কাসেমী, আল্লামা নূরুল হুদা ফয়েজী, মুফতি
মুহাম্মদ ওয়াক্কাস, মুফতি রুহুল আমীন, মাওলানা আব্দুল
কুদ্দুস, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা মুশকাত আহমদ,
মাওলানা আবদুল হামিদ, মাওলানা সাজিদুর রহমান, মুফতী
জসিমুদ্দীন, মুফতি ফয়জুল্লাহ, মাওলানা
মুসলেহুদ্দীন রাজু, মাওলানা আনাস মাদানী, মাওলানা
নূরুল আমিন, মাওলানা উবায়দুর রহমান মাহবুব, মাওলানা
আবদুল জব্বার জিহাদী।

খবরের বাকি অংশ

অষ্টগ্রাম শাখাইতি মাদ্রাসার খতমে বুখারী ও দোয়া মাহফিল আগামী বৃহস্পতিবার!

হাফিজুর রহমান আবুহানিফাঃ- সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী অষ্টগ্রাম জামেয়া ইসলামিয়া দারুল হাদিস শাখাইতি মাদ্রাসায় আগামী ২০ এপ্রিল ২০১৭ ইং রোজ বৃহঃবার খতমে বুখারী ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। শুভাগমন করবেন আল্লামা মুফতি ইউসুফ তালুভী সাহেব দেওবন্দ ভারত।আল্লামা নুরূল ইসলাম খান সাহেব শায়খুল হাদীস ও মুহতামিম দরগাহপুর মাদ্রাসা।
এতে সর্বস্তরের মুসলমানদেরকে আমন্ত্রন জানিয়েছেন জামিয়ার মুহতামিম মুফতি আব্দুল মালিক, ও নায়বে মুতামিম মাও তৈয়্যিবুর রহমান চৌধুরী।

খবরের বাকি অংশ

ফাযিল- বিএ স্নাতক ১ বিভাগে উত্তীর্ন হওয়ায় মাও রেজওয়ান ভাইকে অভিনন্দন!

স্টাফ রিপোর্টারঃ- জামিয়া দারুল কুরঅান সিলেট'র ১ম বর্ষের ফুযালা, যুব জমিয়ত বাংলাদেশ'র কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য, জমিয়তের নিবেদিত প্রান, রাজপথের লড়াকু সৈনিক, মাও রেজওয়ান আহমদ ভাই- ফাযিল( বিএ স্নাতক ) ১ম বিভাগে উত্তীর্ণ হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়েছেন সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা যুব জমিয়তের যুগ্ম সেক্রেটারি হাঃ হাফিজুর রহমান আবুহানিফা।

খবরের বাকি অংশ

Friday, 14 April 2017

স্বীকৃতি নিয়ে ভাবনা-ঐক্যবদ্ধ থাকাই বড় চ্যালেঞ্জ-মাও তৈয়্যিবুর রহমান চৌধুরী

হাফিজুর রহমান আবুহানিফাঃ ক্বওমী মাদ্রাসার স্বীকৃতি নিয়ে দঃ সুনামগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাও তৈয়্যিবুর রহমান চৌধুরীর ভাবনা- কওমী মাদরাসা শিক্ষার স্বীকৃতি একটি পুরাতন ইস্যু। সব সরকারের অামলে অল্প বিস্তর অালোচিত এটি। কিন্তু কেউ বাস্তবায়নে অান্তরিকতা দেখায়নি । এবার বিশাল প্রতিকুলতা ডিঙ্গিয়ে ঐক্যবদ্ধ মঞ্চে স্বীকৃতি এসেছে। এটি আমার নিকট সবচাইতে বড় পজেটিভ দিক। সরকার প্রধান হিসেবে যে অান্তরিকতা, ধৈর্য্য ও উদারতা প্রদর্শন করেছেন এর জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ না দিলে কৃপনতা হবে।
স্বাধীনতার পর যে ক'টি সরকার দেশের মসনদে ছিলো সবাই শুধু স্বীকৃতির অাশ্বাস দিয়েই দায়িত্ব শেষ করেছে। এরশাদ সরকারের অামলে স্বীকৃতির কাছাকাছি গিয়েও মান নির্ধারন নিয়ে বিষয়টি থমকে যায়। এরপর বহুদিন চলে যায় কিন্তু স্বীকৃতির কোন অগ্রগতি হয়নি। সর্বশেষ ৪ দলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় এলে স্বীকৃতি হবে এই অাশায় সবাই বুক বেধেঁ ছিলো। কিন্তু সব গুড়েবালি। প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েও স্বীকৃতির মুলা ঝুলন্ত রাখা হয়। কি কারনে কাদের ইন্ধনে কওমীর লক্ষ লক্ষ প্রজন্মের স্বীকৃতি হয়নি সেটি আমার অালোচ্য বিষয় নয়। সরকার প্রধানের অান্তরিকতা থাকলে বেগম জিয়া স্বীকৃতি বাস্তবায়ন করতে পারতেন। যেমনটি শেখ হাসিনা করে দেখিয়েছেন।
মুল কথা হলো কওমী প্রজন্মের দোয়া সমর্থন ও অাশীর্বাদ সবাই নিতে চায়। আমরাও যুগযুগ ধরে শুধু দিয়ে এসেছি বিনা স্বার্থে। কিন্তু অামাদের নিয়ে হালুয়া রুটি আপনারা খেয়েই যাবেন। বিনিময়ে কিছুই দিবেন না। এটি কেমন ইনসাফ। ন্যুনতম অধীকার শিক্ষার স্বীকৃতি দিতেও টালবাহানা করবেন এটি কোনভাবেই মেনে নেয়া যায়না।
বর্তমান সরকারের সাথে আমাদের সম্পর্ক কেমন সেটি ব্যংখ্যা করার প্রয়োজন নেই। কিন্তু গতকাল সরকার প্রধান হিসেবে শেখ হাসিনা যে রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন করেছেন তা ইতিহাসে নজিরবিহীন। কওমী মাদরাসার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অবদানের স্বীকৃতি, উলামায়ে কেরামের প্রতি রাষ্ট্রের সম্মোধন, সম্মাননা এটি একটি মাইলফলক অধ্যায়। কোন সরকার এভাবে কওম ও কওমিয়্যাতের মুল্যায়ন করেছে এটি আমরা জানা নেই। ভিতরে কার কি উদ্দেশ্য অাছে সেটি অালোচনার বিষয় নয়। মুল্যায়নের বিষয় রাষ্ট্রের বাহ্যিক অাচরন। প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক ইচ্ছা ও সাহসের প্রতিফল যে স্বীকৃতি, এতে কোন সন্ধেহ নেই। ডান বামের অনেক নেতানেত্রী, সুশিল, বামপন্থি, রামপন্থি ও নাস্থিক্যবাদী গোষ্টির গালে চপেটাঘাত করেই তিনি কওমী মাদরাসার স্বীকৃতি ঘোষণা করেছেন। যার প্রতিফল, প্রতিক্রিয়া ইতিমধ্যে সামনে অাসতে শুরু করেছে। তিনি এক ঢিলে অনেক পাখি শিকার করেছেন। এটি তার প্রজ্ঞাপুর্ণ রাজনৈতিক দুরদর্শী চিন্তার ফসল। আমাদের এ নিয়ে মাথা ঘামানোর প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না। স্বীকৃতির পুর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের প্রতিই আমাদের দৃষ্ঠি নিবন্ধন করতে হবে। ভবিষ্যত বলে দিবে স্বীকৃতির ঘোষণা কওমী প্রজন্মের জন্য কতটুকু পজিটিভ বা কতটুকু নেগেটিভ। এটি নিয়ে বিচার বিশ্লেষনের সময় এখন নয়।
স্বাধীনতা পরবর্তী যত সরকার ক্ষমতায় এসেছে কওমী পন্থীদের তেমন মুল্যায়ন কখনো হয়নি। স্বার্থ উদ্ধারকারী গোষ্ঠী একের পর এক পালাক্রমে নিজেদের ফায়দা হাসিল করেছে। এবার প্রধানমন্ত্রী সেচ্ছায় স্বীকৃতির ঘোষণায় তাদের স্বার্থে অাঘাত অাসতে পারে তাই গাত্রদাহ শুরু হয়ে গেছে। সরকারপন্থী ও সরকারবিরোধী হিসেবে পরিচিত গোষ্ঠীর তৎপরতা চোঁখে পড়ার মত। তাদের অস্বস্তি ক্রমেই জনসম্মুখে বেড়িয়ে অাসছে। এদিকটি বিবেচনায় রেখে আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
কওমী প্রজন্মের রাহবার হযরাত উলামায়ে কেরামের দৃষ্টিঅাকর্ষন করে বলতে চাই। আপনারা যেভাবে স্বীকৃতির প্রস্তাবনা দিয়েছেন সেভাবে প্রধানমন্ত্রী স্বীকৃতির ঘোষণা দিয়েছেন। তাই আর মতবিরোধ না করে ভবিষ্যত করনীয় নির্ধারনে মনোযোগী হবেন এটিই আমাদের দাবী। ৬টি বোর্ডের কর্ণধার হযরাতগণ স্বীকৃতির মঞ্চে যেভাবে বসেছেন সেভাবে ঐক্যবদ্ধতা বজায় রাখা সবচাইতে জরুরী। একটি কথা নির্দিধায় বলা যায় আপনারা ঐক্যবদ্ধ থাকলে কওমী মাদরাসায় অবৈধ হস্তক্ষেপ কেউ করতে পারবেনা। অন্তত কওম ও কওমীর স্বার্থে অাপনাদের ঐক্যবদ্ধ এই বন্ধন টিকে রাখাটা সবচাইতে বড় চ্যালেঞ্জ। আপনাদের ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্তে অভিন্ন সিলেবাস থেকে নিয়ে প্রয়োজনীয় সবটুকু হোক ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য অালোকবর্তিকা। এটি সর্বান্তকরণে আমাদের কামনা।

খবরের বাকি অংশ

জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

নিউজ ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম!
মুদ্রা পাচারের এক মামলায় বারবার তলবের পরও হাজির না হওয়ায় ভারতের বিতর্কিত টিভি বক্তা জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে দেশটির একটি আদালত।

তরুণদের জঙ্গিবাদে উসকানি দেওয়ার অভিযোগের মুখে থাকা নায়েকের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার অজামিনযোগ্য এ পরোয়ানা জারি করা হয় বলে বার্তা সংস্থা আইএএনএস এর খবর।

ঢাকার গুলশানে গতবছর জুলাইয়ের জঙ্গি হামলায় জড়িতদের মধ্যে অন্তত দুজন জাকির নায়েকের মতো ইসলামী বক্তাদের অনুসরণ করতেন বলে অভিযোগ ওঠার পর নতুন করে আলোচনায় আসেন মহারাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া জাকির নায়েক।

উগ্রবাদী বক্তব্য প্রচারসহ মুদ্রা পাচারের অভিযোগে ওই সময় তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে ভারত সরকার। তখন সৌদি আরবে থাকা এই টিভি বক্তা এরপর আর ভারতে ফেরেননি।

আইএএনএস লিখেছে, নায়েকের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারির পর বিচারিক কার্যক্রমে সহায়তার অনুরোধ জানিয়ে সৌদি আরবে চিঠি পাঠাবে ভারত। দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়ের রাজস্ব বিভাগের এনফোর্সমেন্ট অধিদপ্তর এজন্য আদালত থেকে অনুরোধপত্র জোগাড় করার চেষ্টা করছে।

উগ্রবাদ প্রচারের অভিযোগে ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশ নিষিদ্ধ হওয়া পিস টিভির কার্যক্রম চলে জাকির নায়েকের প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন-আইআরএফ এর তত্ত্বাবধানে।

এনফোর্সমেন্ট অধিদপ্তরের বরাত দিয়ে আইএএনএস জানিয়েছে, আইআরএফ ও নায়েকের পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টে ‘অবৈধভাবে আসা’ ২০০ কোটি রুপি লেনদেনের ট্রানজেকশনের তথ্য পাওয়া গেছে। নায়েক বিভিন্ন ভুয়া কোম্পানি খুলে তার মাধ্যমে ওই এনজিওর অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ স্থানান্তর করতেন বলে ভারতীয় কর্মকর্তাদের সন্দেহ।

এসব বিষয় অনুসন্ধানে উঠে আসার পর গত ডিসেম্বরে নায়কের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। জানুয়ারিতে তার নামে জারি হয় সমন। এরপর আরও তিনবার সমন জারি হলেও আদালতে যাননি তিনি।

জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে উগ্রবাদ প্রচারের অভিযোগেরও তদন্ত করছে ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ)। ওই অভিযোগে এনআইএ-এর তলবেও সাড়া দেননি বিতর্কিত এই বক্তা।

চিকিৎসা শাস্ত্রে লেখাপড়া করা নায়েক বিভিন্ন সময়ে ইসলাম ধর্ম, জঙ্গিবাদ, জিহাদ নিয়ে বক্তব্যের জন্য বিতর্কিত হয়েছেন; নিষিদ্ধ হয়েছেন বিভিন্ন দেশে।

গত বছর উসকানিমূলক কথাবার্তা বলার অভিযোগে ভারতের কর্নাটক রাজ্যে তাকে নিষিদ্ধ করা হয়৷ আর গুলশানের খুনিদের আগ্রহের বিষয়টি উঠে আসার পর শুরু হয় নতুন তদন্ত।

১৯৬৫ সালে মুম্বাইয়ে জন্ম নেওয়া জাকির নায়েক কিষানচাঁদ চেলারাম কলেজের পর টোপিওয়ালা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজে মেডিসিন বিষয়ে পড়ালেখা করেন। পরে বিওয়াইএল নায়ার চ্যারিটেবল হাসপাতালেও তিনি লেখাপড়া করেন।

১৯৮৭ সালে ইসলামী বক্তা আহমেদ দিদাতের সংস্পর্শে আসেন নায়েক। এর কয়েকবছর বাদে ১৯৯১ সাল থেকে শুরু করেন ধর্ম প্রচারের কাজ।

তার কিছু বক্তব্যকে জঙ্গিবাদের প্রতি তার সমর্থন হিসেবে চিহ্নিত করেন অনেকে; তরুণদের মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসে ভেড়ানোর অভিযোগে জাকির নায়েকের এক সহযোগীকেও গ্রেপ্তার করে ভারতীয় পুলিশ।

ভারতের কয়েকজন মুসলমান পণ্ডিত জাকির নায়েককে ‘সৌদি আরবের পৃষ্ঠপোষকতায় ওহাবি মতবাদ প্রচারকারী’ হিসেবে সন্দেহের চোখে দেখেন।

অন্যদিকে সৌদি আরব সরকার নায়েককে ‘ইসলামের সেবক’ বিবেচনা করে ২০১৫ সালে ‘বাদশাহ ফয়সাল আন্তর্জাতিক পুরস্কার’ দেয়।

ভারতের আল্লামা সাইয়্যিদ খালিক সাজিদ বোখারী কয়েক বছর আগে ড. জাকির নায়েকের বিপক্ষে একটি বই লেখার পর বাংলাদেশেও হক্কানি আলেমরা তার সমালোচনায় মুখর হন।

খবরের বাকি অংশ

Thursday, 13 April 2017

পহেলা বৈশাখের বিজাতীয় সংস্কৃতি থেকে দৃরে থাকুন- হাফিজুর রহমান আবু হানিফা

পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান সম্পর্কে সচেতন হোন, দূরে থাকুন, সকলকে বোঝান:

(ক) লাল সাদার সাথে বাঙালীর কী সম্পর্ক? এটা তো শাখা সিঁদুরের কালার!
তাহলে কি কৌশলে আমাকে শাখাসিঁদুরে অভ্যস্ত করা হচ্ছে?
.
(খ) রমনা বটমূলে ছায়ানটের শিল্পীরা বাদ্যযন্ত্র নিয়ে প্রস্তুত, প্রস্তুত শ্রোতারা, অপেক্ষা কেবল সূর্য উঠার, সূর্য উঠার অপেক্ষায় মুসলমান থাকতে পারে? , এটা তো সূর্য পুজারীদের কাজ! মুসলমান সূর্য উঠলে ইবাদত বন্ধ করে দেয়। কারণ নবীজী সা. সূর্য উঠা আর ডুবার সময় নামাজ পড়তে নিষেধ করেছেন, যেনো আমাদের ইবাদত সূর্যপূজারীদের সাথে মিলে না যায়, আর সেই মুসলমান প্রত্যুষে ফজরের সালাহ বাদ দিয়ে সূর্য উঠার অপেক্ষায় থাকবে?!!
.
(গ) সূর্য উঠার সাথে সাথেই রবি ঠাকুরের প্রার্থণামূলক সঙ্গীত "এসো হে বৈশাখ এসো......" দিয়ে শুরু হবে বর্ষবরণ। ঠাকুরের প্রার্থনা কি এক আল্লাহর কাছে?!!
.
ওহে মুসলমান তুমিও সে মুশরিকের ভাষায় প্রার্থনা করবে?
.
এই গানটির মধ্যে শিরক স্পষ্ট। কারণ তার একটি কলি হলো "অগ্নিস্মানে সুচি হোক ধরা"
অর্থাৎ আগুনে গোসল দিয়ে গোটা জগত পবিত্র হোক। আগুন পবিত্র করার ক্ষমতা রাখে এ বিশ্বাস হিন্দুদের, আর তাই মৃত্যুর পর আগুনে পুড়িয়ে পবিত্র করে;
ওহে মুসলমান তুমিও কি সে বিশ্বাসে বিশ্বাসী?!!
.
আসতাগফিরুল্লাহ।
.
(ঘ) সবচেয়ে ভয়ঙ্কর শিরক হয় মঙল শোভাযাত্রায়।
এই শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করে সকল অমঙ্গল দূর করবে। মঙ্গল অমঙ্গলের মালিক কে? এখানে প্রার্থনাটা কার কাছে?
সেটা বুঝতে হিন্দুদের একটা বিশ্বাস সম্পর্কে জানতে হবে।
হিন্দুদের এক দেবতার নাম বিষ্ণু দেবতা, যার পত্নী হচ্ছে লক্ষ্মীদেবী। যার পাঁচ কন্যা; পদ্মা, পদ্মালয়া, ইন্দিরা, শোভা, কমলা। তাদের বিশ্বাস সমস্ত মঙ্গলের মালিক হচ্ছে লক্ষ্মী দেবী, যার বাহন হলো পেচা।
চারুকলার সোনার ছেলেরা বিভিন্ন দেব-দেবীর মূর্তির সাথে পেচার মূর্তিটিও ঢুকিয়ে দেয় মঙ্গল শোভাযাত্রায়।
এবার ভাবুন, পেচা কি বাংলায় কথা বলে? না পান্তা ইলিশ খায়? পেচার সাথে বাঙালীর কী সম্পর্ক?
আসলে সম্পর্ক বাঙ্গালীর সাথে নয়, লক্ষ্মীদেবীর বাহন রেডি করে আহবান করা হচ্ছে তাকে। কারণ সে না আসলে মঙল বিতরণ করবে কে?
.
লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ ...............!!
.
আসলে শয়তান যদি আমাদের পূজামণ্ডপে ডাকতো আমরা তো যেতাম না, তাই সে কৌশল পরিবর্তন করে আমাকে দিয়ে শিরক ঠিকই করাচ্ছে, কিন্তু নাম দিচ্ছে বাঙালী চেতনা!!

খবরের বাকি অংশ

Wednesday, 12 April 2017

কাঠইর ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষনা।

স্টাপ রিপোর্টার:- সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার কাঠইর ইউনিয়ন পরিষদের আগামী ২০১৭-২০১৮ অর্থ বৎসরের উম্মুক্ত বাজেট ঘোষনা করা হয়। ১২,৪,২০১৭ ইং, বুধবার সকাল ১০ টায় ইউনিয়ন পরিষদের সামনে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুফতি শামসুল ইসলাম শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করে বিগত নয় মাসের বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কর্মকান্ড সবার সামনে উপস্থাপন করেন,
ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোহিতোষ চৌধুরী,২০১৭-১৮.অর্থ বৎসরের বাজেট উপস্থাপন করেন, বাজেটে ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন খাত থেকে সম্ভাব্য আয় দেখানো হয়েছে ৯৯,৫২৫০০ টাকা/  ব্যায় দেখানো হয়েছে ৯৮,৮০০০০ টাকা/ উদ্বৃত্ত আয় দেখানে হয়েছে ৭২,৫০০ টাকা,

বাজেট ঘোষণার পর বক্তব্য রাখেন, মোঃ আনোয়ার হোসেন মাগুরা, মানিক কান্তি দাশ কলাইয়া,তসলিম উদ্দিন কান্দাগাও, সবাই তাদের বক্তব্যে ইউনিয়নের বরাদ্ব যাতে সঠিকভাবে বন্টন হয় এবং সততার সাথে যেন ব্যয় হয়,এই দুর্যোগ মুর্হুতে সুনামগঞ্জকে দুর্গত এলাকা ঘোষণা করার জন্য সরকারের প্রতি দাবি রেখে ইউনিয়নের সর্বক্ষেত্রে সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

এসময় উপস্হিত ছিলেন,ইউপি সদস্য,সাংবাদিক, ও এলাকার মোঃ গৌছউদ্দিন, মোঃ নুরমিয়া পুরান শাখাইতি, মোঃ গিয়াস উদ্দিন নতুন শাখাইতি,ক্বারী মঞ্জুর আলম ঘোলেরগাও,মিরাশ উদ্দিন,আব্দুল আজিজ সাবেক মেম্বার নোয়াগাও, সহ সর্বস্থরের জনগন উপস্থিত ছিলেন।

খবরের বাকি অংশ

Monday, 10 April 2017

পহেলা বৈশাখ ও লোক উৎসব বাতিলের দাবী এম.পি মিছবাহ’র

উৎসবমূখর পরিবেশে সুনামগঞ্জে পহেলা বৈশাখ ও লোক উৎসব পালিত না হওয়ার দাবী জানালেন সুনামগঞ্জ ৪ আসনের সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমান মিছবাহ। গতকাল রোববার বেলা ১১ টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভার সভাপতি ও জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলাম সভা শেষে রাষ্ট্রীয় দু’টি উৎসবের বিষয় উপস্থাপন করেন। এ সময় সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিছবাহ বলেন, গত ২৯ মার্চ থেকে শুরু করে অতিবৃষ্টি,পাহাড়ী ঢল ও বাঁধ নির্মাণে অনিয়মের ফলে সুনামগঞ্জের হাওরপাড়ের কৃষকদের বোর ফসল তলিয়ে গেছে। জেলার সর্বত্রই চরম খাদ্যে অভাব দেখা দিয়েছে। মানুষ কষ্টে আছে। এ অবস্থায় উৎসব মুখর পরিবেশে লোক উৎসব ও পহেলা বৈশাখ উদযাপন না করার দাবী জানান।

খবরের বাকি অংশ

Friday, 7 April 2017

দূর্গত এলাকার কৃষি ঋণ মওকুফ করা হোক: শাহীনুর পাশা চৌধুরী


সিলেট রিপোর্ট: জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব, সাবেক এমপি এডভোকেট মাওলানা শাহীনূর পাশা চৌধুরী বলেন, কৃষি নির্ভর এলাকা সুনামগঞ্জ সহ হাওর পারের সকল কৃষকরা আজ চরম সংকটকাল অতিক্রম করছে। জীবন জীবিকা নির্বাহের রোরো ফসল অকাল বন্যায় গ্রাস করে ফেলেছে। আজ কৃষকের ভাষা কান্না। জনাব পাশা বলেন, কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। তিনি সরকারের কাছে জোর দাবী জানিয়ে বলেন, অবিলম্বে সুনামগঞ্জ সহ প্লাবিত হাওর এলাকাকে দূর্গত এলাকা ঘোষণা করুন। হাওর উন্নয়নের নামে বাঁধ নির্মাণে যারা দুর্নীতি করেছে তাদের ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ সহ কৃষকদের কৃষি ঋণ মওকুফেরও দাবী জানান।
৭ এপ্রিল শুক্রবার বাদ জুম্মা সিলেট নগরীর কোর্ট পয়েন্টে তারই আহবানে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তৃতাকালে এডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মদন মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সাবেক প্রিন্সিপাল লে: কর্নেল আতাউর রহমান পীর। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জমিয়তের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি হাফিজ মাওলানা মনছুরুল হাসান রায়পুরী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর মাওলানা রেজাউল করিম জালালী, মহানগর জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক হাফিজ সৈয়দ শামীম আহমদ, ইসলামী ঐক্যজোটের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা মুফতী ফয়জুল হক জালালাবাদী, জমিয়ত নেতা মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী, জগন্নাথপুর-দক্ষিণ সুনামগঞ্জ কল্যাণ ট্রাস্টের সেক্রেটারী মাওলানা আলী নূর, মাওলানা সৈয়দ মুসাদ্দেক আহমদ, জমিয়ত নেতা মাওলানা তোফায়েল আহমদ উসমানী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নেতা মাওলানা আরিফুল হক ইদ্রিস, ইসলামী ঐক্যজোট নেতা প্রিন্সিপাল মাওলানা জহুরুল হক, ছাত্র জমিয়তের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা মুতিউর রহমান, মাওলানা সাঈদুজ্জামান, মাওলানা আছাদ উদ্দিন, কবি আজমল আহমদ, জগন্নাথপুর ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি আবুল হাসনাত আমীর, মাদানী কাফেলার সভাপতি রুহুল আমীন নগরী, সালেহ আহমদ শাহবাগী, হাফিজ আব্দুল করিম দিলদার, শাহিদ হাতিমী, মাওলানা আরিফ রব্বানী, নবোদয় সভাপতি ফয়সাল জাকওয়ান,ছাত্রনেতা নাজমুল ইসলাম, শেখ আলবাব, আরিফ আহমদ চৌধুরী, শুয়েব আহমদ, মাছরুফ আহমদ, সালমান আহমদ, মিছবাহুর রহমান নাহিদ প্রমুখ।
মানববন্ধনে দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফিজ মাওলানা মনছুরুল হাসান রায়পুরী। শুরুতে কালেম পাক থেকে তেলাওয়াত করেন হাফিজ শহিদ হাতিমী।
কর্মসূচি ঘোষণা- ৮ এপ্রিল শনিবার সিলেটের জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি পেশ, ১০ এপ্রিল সোমবার দুর্গত এলাকা পরিদর্শন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধির সাথে মতবিনিময় সভা।

খবরের বাকি অংশ

Sunday, 2 April 2017

আবারো বরখাস্ত হলেন মেয়র আরিফ!


সিলেট রিপোর্ট: চেয়ারে বসার কিছুক্ষণের মধ্যেই বরখাস্ত হলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। রোববার (২ এপ্রিল) সকালে বিপুল সংখ্যক সর্মথন নিয়ে শোডাউন করে নগর ভবনে আসলে আবারো বরখাস্ত হলেন মেয়র আরিফ !
কয়েক ঘন্টা পূর্বেই বসেছিলেন মেয়রের চেয়ারে। কিন্তু মেয়রের চেয়ারে বসার  কয়েক ঘন্টার মধ্যে ‘দুঃসংবাদ’ এসেছে আরিফের জন্য। ফের মেয়রের পদ থেকে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি করপোরেশন অ্যাক্ট উপ-সচিব মো. মাহমুদুল আলম কর্তৃক সিলেট সিটি করপোরেশনে একটি ফ্যাক্স বার্তা প্রেরণ করা হয়েছে।  ওই বার্তায় বলা হয়েছে, ‘আরিফুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল মামলা-৪/২০০৯ এর সম্পূরক অভিযোগপত্র গত ২২ মার্চ আদালতে গৃহিত হয়েছে। সেহেতু সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীকে স্থানীয় সরকার বিভাগ আইন ২০০৯ এর ১২ উপধারা প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।’ওই বিশেষ ট্রাইব্যুনাল মামলাটি হচ্ছে প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের জীবদ্দশায় দিরাইয়ে একটি জনসভায় বোমা হামলার মামলা।
২০০৪ সালের ২১ জুন দুপুরে সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে একটি জনসভায় বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। সভায় প্রধান অথিতি ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। এ বোমা হামলায় এক যুবলীগ কর্মী নিহত হয় ও ২৯ জন আহত হয়। পরদিন পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মামলা করে। প্রথমে পুলিশ, পরে সিআইডি মামলার তদন্ত করে। গত বছরের ২০ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির হবিগঞ্জ জোনের তৎকালীন সহকারী পুলিশ সুপার বসু দত্ত চাকমা আরিফ ও হবিগঞ্জ পৌর মেয়র জি কে গউছকে গ্রেফতারের আবেদন জানান আদালতে। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর আদালতে মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয়। চার্জশিটে আরিফ-গউছসহ ১৩ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। গত বছরের ২৭ নভেম্বর ওই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয় আরিফ ও গউছকে। পরে চলতি বছরের ২২ মার্চ মামলার চার্জশিট আদালতে গৃহিত হয়।২০১৩ সালের ১৫ জুন সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে বিজয়ী হন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী। নির্বাচনের দেড় বছরের মাথায় তিনি জড়িয়ে পড়েন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএম এস কিবরিয়া হত্যা মামলায়। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে সিআইডির সম্পূরক চার্জশিটে ওই মামলায় আসামি করা হয় তাকে। ওই বছরের ৩০ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করেন আরিফ। আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
কারাগারে যাওয়ার পরই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েন আরিফ। পরে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকায়। সেখানে প্রায় ৬ মাস হাসপাতালে থেকে তার চিকিৎসা চলে। সিলেট কেন্দ্রীয় কারগারে আসার পরও কয়েক দফায় তিনি ভর্তি হন ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। মামলার নির্ধারিত তারিখে হুইল চেয়ারে বসিয়ে তাকে নিয়ে আসা হতো আদালতে। কিবরিয়া হত্যার পর তাকে গ্রেফতার দেখানো হয় সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় বোমা হামলার মামলায়।
এদিকে, কারান্তরিণ হওয়ার একসপ্তাহের মধ্যে ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র পদ থেকে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এরপর ভারপ্রাপ্ত মেয়রের পদ নিয়ে আইনী লড়াইয়ে অবতীর্ণ হন প্যানেল মেয়র রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও এডভোকেট সালেহ আহমদ। অবশেষে মামলার জালে আটকা পড়ে মেয়রের চেয়ারে বসা হয়নি কারো। আরিফের অনুপস্থিতিতে দু’বছরই শূন্য থাকে মেয়রের চেয়ার।
কিবরিয়া হত্যা ও সুরঞ্জিত সেনের জনসভায় বোমা হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত ৪টি মামলায় পর্যায়ক্রমে উচ্চ আদালত থেকে জামিন লাভ করেন আরিফ। ২ বছর ৪ দিন পর চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি সবকয়টি মামলায় জামিনে মুক্ত হন তিনি। গত ১৩ মার্চ আরিফের রিটের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের বরখাস্তের আদেশ ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করলে গত ২৩ মার্চ হাইকোর্টের দেওয়া আদেশই বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।
ওই আদেশের প্রেক্ষিতে আজ (২ এপ্রিল) রোববার স্বাড়ম্বরে নগর ভবনে গিয়ে ফের মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। নতুন করে তার দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে নগর ভবনে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। নতুন করে তার দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে নগর ভবনে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শোডাউন করে নগর ভবনে গিয়ে ফের মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। রেবাবার সকাল সাড়ে ১০টায় দলীয় নেতাকর্মী ও এলাকার লোকজনদের নিয়ে বাসা থেকে নগর ভবনের উদ্দেশ্যে বের হন আরিফ। পায়ে হেঁটে নগরীর চৌহাট্টা হয়ে সকলকে নিয়ে নগর ভবনে সোয়া ১১টার দিকে পৌঁছান তিনি। এসময় সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আরিফকে ফুলেল অভর্থ্যনা জানান। এসময় নগর ভবনে সাবেক এমপি দিলদার হোসেন সেলিম, অধ্যক্ষ এম আতাউর রহমান পীর, খন্দার আব্দুল মুক্তাদির,
ডাক্তার শাহরিয়ার আহমদ চৌধুরী,বদরুজ্জামান সেলিম, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, জমিয়ত নেতা মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী, ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা হাবিব আহমদ শিহাব,ওলামাদল সিলেট জেলা সেক্রেটারী মুফতি সাদিকুর রহমান প্রমুখ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
সোয়া ১১টা থেকে ঘন্টা দুয়েক নগর ভবনে অবস্থান করে শুভেচ্ছা বিনিময় করে সাড়ে ১২টা দিকে নিয়ে নগর ভবন থেকে বেরিয়ে আসেন আরিফ। এর কিছুক্ষণপরেই বেলা ২টা, এই প্রায় তিন ঘন্টা সময় মেয়র পদে থাকার পর ফের বরখাস্ত হয়েছেন আরিফ।

খবরের বাকি অংশ

Saturday, 1 April 2017

সুনামগঞ্জের পক্ষ থেকে বন্ধু জাহিদকে জানাই শুভেচ্ছা

আব্দুল মজিদ কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও দক্ষিন সুনামগন্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক, ডুংরিয়ার কৃতি সন্তান, রাজপথ যার ঠিকানা, বন্ধু জাহিদুল ইসলাম কে, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত করায়,
সুনামগঞ্জের মাঠি ও মানুষের নেতা,মানবতারর কল্যাণে সদা নিবেদিত প্রান, অর্থপ্রতি মন্ত্রী এম,এ মান্নান এম,পি মহোদয়কে জানাই কে প্রানঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
শুভেচ্ছান্তেঃ- হাফিজুর রহমান আবু হানিফা,

খবরের বাকি অংশ

নলুয়ার হাওরে কৃষকদের কান্না, বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে হাওরে পানি

স্টাফ রিপোর্টার: জেলার অন্যতম বৃহৎ হাওর জগন্নাথপুর উপজেলার নলুয়ার হাওরের শালিকা ও ডুমাখালি বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে হাওরে পানি প্রবেশ করায় কৃষকদের মধ্যে হাহাকার দেখা দিয়েছে। হাওরপাড়ের কৃষকরা জানিয়েছেন ভোররাতে শালিকা ও ডুমাখালি বেড়িবাঁধ এলাকা দিয়ে নলুয়ার হাওরে পানি ঢুকে হাওরের আধা পাকা ফসল তলিয়ে নিয়ে যায়। গত দুদিন ধরে কৃষকরা প্রানপণ প্রচেষ্ঠা চালালেও শেষ রক্ষা করতে পারেননি তাদের কষ্টার্জিত ফসলের। কৃষকদের অভিযোগ এবার হাওর রক্ষা বেড়িবাঁধ নির্মাণে পাউবোর পর্যাপ্ত বরাদ্দ না দেয়ায় অনেক ঝুকিপূর্ণ স্পটে মাটি ফেলা হয়নি। এছাড়াও বরাদ্দকৃত অর্থের সিকিভাগ কাজ না হওয়ায় অকাল বণ্যা কিংবা পাহাড়ি ঢল আসার আগেই শালিকা ও ডুমাখালি বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে হাওরে পানি ঢুকে। যে এলাকার বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে হাওরে পানি ঢুকেছে সেই পিআইসি কমিটির সভাপতি সুরাজ মিয়া মেম্বারের বিরুদ্ধেও কৃষকদের বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তোলেছেন। এছাড়াই ওই এলাকায় পাউবোর ঠিকাদারের নুর ট্রেডিং বাঁধ নির্মাণে যৎ সামান্য কাজ করায় বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে হাওরে পানি ঢুকেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পানি উন্নয়ণ বোর্ডের মাঠে কর্মকর্তা মোসাদ্দেক জানান, নূর ট্রেডিং ও সুরাজ মেম্বারের স্পর্টে বাঁধ ভেঙ্গে পানি প্রবেশ করলেও বাঁধমেরামতের সর্বশক্তি চালানো হচ্ছে।
চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আরশ মিয়া জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকমকে নলুয়ার হাওর তলিয়ে যাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,হাওরে কৃষকদের মধ্যে হাহাকার ও কান্না দেখা দিয়েছে। গত বছরও হাওর রক্ষা করা যায়নি। তিনি যেস্পর্টে পানি প্রবেশ করেছে সেই র্স্পটের বেড়িবাঁধ নির্মাণে ঠিকাদার ও একটি পিআইসির কাজের গাফলাতির কথা স্বীকার করেন।

খবরের বাকি অংশ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

facebbok